প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তন! প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর খুদেদের জন্য নতুন নিয়ম রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের

প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিবর্তন! প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর খুদেদের জন্য নতুন নিয়ম রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের

কেবল নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস বা বই শেষ করা নয়, প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর পড়ুয়ারা কতটা শিখতে পারছে—তা নিশ্চিত করতে এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। শিশুশিক্ষার মানোন্নয়নে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন’।

কী কী নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

  • রঙিন পোস্টার ও লক্ষ্যমাত্রা: প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রতিটি ক্লাসরুমে পড়ুয়াদের জন্য নির্ধারিত ‘লার্নিং গোল’ বা শেখার লক্ষ্য সম্পর্কিত রঙিন পোস্টার টাঙাতে হবে।
  • পড়াশোনার মূল্যায়ন: শিক্ষকরা কেবল বইয়ের পড়া শেষ করবেন না; পড়ুয়ারা নিজেরা কতটা পড়তে, লিখতে এবং মৌলিক অঙ্ক কষতে পারছে, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করতে হবে।
  • অভিভাবকদের জানানো: স্কুলের প্রবেশপথ বা নোটিস বোর্ডেও অভিভাবকদের দেখার সুবিধার্থে এই নির্দেশিকার পোস্টার থাকবে। এছাড়া অভিভাবকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্টারের কপি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট: পোস্টার ছাপানোর খরচ মেটানো যাবে স্কুলের ‘কম্পোজিট গ্রান্ট’ থেকেই। প্রতিটি জেলার শিক্ষা আধিকারিককে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই সংক্রান্ত পদক্ষেপে রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে।

৯৩৩টি ছাত্রশূন্য স্কুল নিয়ে ভাবনা: প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতির পাশাপাশি রাজ্য শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও এক বড় পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা চলছে। রাজ্যের প্রায় ৯৩৩টি প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে গত ৫ থেকে ২০ বছর ধরে একজন পড়ুয়াও ভর্তি হয়নি। সম্পূর্ণ ছাত্রশূন্য হয়ে পড়ে থাকা এই বিপুল সংখ্যক স্কুলের ভবন, জমি ও খেলার মাঠ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *