তৃণমূলের গুন্ডাগিরি রুখতেই পথে নামল বিজেপি, হুঙ্কার নীতিন নবীনের!

তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ নিতিন নবীনের, লক্ষ্য ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচন
রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়ালো বিজেপি। সাম্প্রতিক এক জনসভায় অংশ নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা নিতিন নবীন রাজ্যের শাসকদলের তীব্র সমালোচনা করেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনামলে রাজ্যে যে অরাজকতা ও তোলাবাজির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, রাজ্যের মানুষের সেবা বাদ দিয়ে তিনি দিল্লিতে গিয়ে বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন।
বিরোধী জোট ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া অবস্থান
জনসভায় নিতিন নবীন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করে অভিযোগ করেন যে, বিদেশি শক্তির প্ররোচনায় তিনি দেশের ভেতর অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছেন। রাহুল গান্ধীর ব্যর্থতা থেকেই কংগ্রেসের বর্তমান বেহাল দশা বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেইসঙ্গে রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের উপস্থিতি নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজেপি নেতা জানান, পশ্চিমবঙ্গ থেকে সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বিতাড়িত করা হবে। তার মতে, রাজ্যের মানুষের অধিকার রক্ষায় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
২০২৯ সালের লক্ষ্য ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
বিজেপি নেতা আগামী দিনের রাজনৈতিক চিত্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেন, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও দেশবাসী নরেন্দ্র মোদীকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেবে। তাঁর মতে, বিজেপির মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশের উন্নয়ন, যা দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্রের মুখেও অটুট থাকবে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ২০২৯ সালের নির্বাচনেও পুনরায় বিজেপির জয়জয়কার এবং লালকেল্লায় নরেন্দ্র মোদীর তেরঙ্গা উত্তোলনের পূর্বাভাস দিলেন।
এক ঝলকে
- তৃণমূল সরকারের অপশাসন ও তোলাবাজির অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ নিতিন নবীনের।
- রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কৌশলকে ‘ব্যক্তিস্বার্থসর্বস্ব’ বলে কটাক্ষ।
- রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করার কড়া বার্তা ও শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বের প্রশংসা।
- ২০২৯ সালের নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৃঢ় আত্মবিশ্বাস প্রকাশ।