এ কেমন ভরতনাট্যম! ট্রোলের মুখে অনন্যা

‘নেপো কিড’ থেকে ‘এআই ডান্সার’! ‘চাঁদ মেরা দিল’-এ ভরতনাট্যম করে তীব্র ট্রোলের মুখে অনন্যা
বলিউডের অন্যতম চর্চিত ‘নেপো কিড’ অনন্যা পাণ্ডে ফের একবার নেটপাড়ার তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়লেন। তবে এবার কোনো মন্তব্য বা সাক্ষাৎকারের জন্য নয়, বরং তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত রোমান্টিক ড্রামা ‘চাঁদ মেরা দিল’-এ অনন্যার পারফরম্যান্স নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল ট্রোলিং। ছবির একটি দৃশ্যে তাঁকে শাস্ত্রীয় নৃত্য ‘ভরতনাট্যম’ করতে দেখা গেছে, আর সেই নাচের পারদর্শিতা নিয়েই এখন সমাজমাধ্যমে হাসির রোল উঠেছে।
এআই-এর চেয়েও খারাপ নাচ! কটাক্ষ নেটিজেনদের
ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই অনন্যার ভরতনাট্যমের সেই বিশেষ ক্লিপটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের একাংশ তাঁর নাচের মুদ্রা এবং অভিব্যক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন। ট্রোলিং এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “এর চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI দিয়ে তৈরি করা নাচও অনেক ভালো হয়!” শাস্ত্রীয় নৃত্যের মতো একটি কঠিন ও ঐতিহ্যবাহী নাচের জন্য অনন্যার যে আরও অনেক বেশি প্রস্তুতি ও নিষ্ঠার প্রয়োজন ছিল, তা কমেন্ট বক্সে স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেটিজেনরা।
করণ জোহরের ‘অতিরিক্ত প্রশ্রয়’ নিয়ে প্রশ্ন
এই ট্রোলের জেরে স্বভাবতই বলিউডের স্বজনপোষণ বা নেপোটিজম বিতর্ক নতুন করে উস্কে উঠেছে। চলচ্চিত্র প্রেমীদের অনেকেরই দাবি, করণ জোহরের অতিরিক্ত প্রশ্রয় এবং ধর্মা প্রোডাকশনের অন্ধ সমর্থনের কারণেই অনন্যা বারবার এত বড় বড় সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন, অথচ ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত বহিরাগত (Outsider) প্রতিভারা বঞ্চিত হচ্ছেন। অনন্যা এই ট্রোলিং নিয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া না দিলেও, ‘চাঁদ মেরা দিল’ ছবির এই নাচ যে তাঁর অভিনয় জীবনের অন্যতম অস্বস্তিকর অধ্যায় হয়ে রইল, তা বলাই বাহুল্য।
এক ঝলকে
- সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত রোমান্টিক ড্রামা ‘চাঁদ মেরা দিল’-এ ভরতনাট্যম নাচের দৃশ্য নিয়ে তীব্র ট্রোলের মুখে পড়েছেন অনন্যা পাণ্ডে।
- সোশাল মিডিয়ায় অনন্যার নাচের মুদ্রা ও এক্সপ্রেশনকে ‘এআই (AI) জেনারেটেড ভিডিওর চেয়েও খারাপ’ বলে কটাক্ষ করেছেন নেটিজেনরা।
- এই পারফরম্যান্সের জেরে করণ জোহরের অতিরিক্ত প্রশ্রয় এবং বলিউডের স্বজনপোষণ বিতর্ক ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে।
- নেটিজেনদের স্পষ্ট দাবি, শাস্ত্রীয় নৃত্যের মতো একটি জটিল ধারার জন্য অভিনেত্রীর আরও অনেক বেশি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন ছিল।