বিপত্তি শেষ! এবার বন্দর থেকে সরাসরি দ্রুত পৌঁছাবে আমদানিকৃত খাবার; নয়া নিয়ম আনল FSSAI

বিপত্তি শেষ! এবার বন্দর থেকে সরাসরি দ্রুত পৌঁছাবে আমদানিকৃত খাবার; নয়া নিয়ম আনল FSSAI

ভারতের বন্দরগুলোতে এখন থেকে আর আমদানিকৃত খাদ্যসামগ্রী আটকে থাকবে না। আমদানিকৃত খাদ্যের ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত এবং সহজ করতে নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছে ‘ভারতীয় খাদ্য সুরক্ষা ও মানক কর্তৃপক্ষ’ (FSSAI)। নতুন এই নির্দেশনায় যাচাইকরণ ও ল্যাব পরীক্ষার ধাপগুলোকে আরও সমন্বিত করা হয়েছে।

আমদানির নিয়মে যে বড় পরিবর্তন এল

আগের জটিল নিয়মে আমদানিকারকদের প্রতিটি ধাপে পেমেন্ট বা ফি জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতো। নথিপত্র যাচাইয়ের পর ফি দিলে তবেই ল্যাব পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু হতো। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রাথমিক নথিপত্র সঠিক থাকলে ফি জমা দেওয়ার আগেই ল্যাবরেটরি পরীক্ষার জন্য পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা যাবে। এর ফলে বন্দরগুলোতে দীর্ঘ সময় পণ্য পড়ে থাকার ভোগান্তি দূর হবে। তবে মনে রাখতে হবে, এনওসি বা চূড়ান্ত ছাড়পত্র পাওয়ার আগে আমদানিকারককে সমস্ত বকেয়া ফি অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

কেন এই পদক্ষেপ এবং এর প্রভাব

সাধারণত বিদেশ থেকে আসা ফল, দুগ্ধজাত পণ্য বা প্রসেসড ফুড দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বন্দরে পণ্য আটকে থাকলে আমদানিকারকরা যেমন লোকসানের মুখে পড়েন, তেমনই বাজারে পণ্যের গুণমান ও দামের ওপর এর প্রভাব পড়ে।

  • দ্রুত সরবরাহ: পরীক্ষা ও যাচাইকরণ প্রক্রিয়া একসাথে চলায় সামগ্রিক সময় অনেক কমবে।
  • পণ্যের গুণমান রক্ষা: পচনশীল পণ্যগুলো দ্রুত বাজারে পৌঁছালে তার সতেজতা ও গুণমান বজায় থাকবে।
  • লজিস্টিক খরচ হ্রাস: বন্দরে পণ্য আটকে থাকার অতিরিক্ত খরচ বা ডেমারেজ চার্জ কমবে, যা পরোক্ষভাবে বাজারে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।

একঝলকে

  • আমদানি করা খাদ্যের ছাড়পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করল এফএসএসএআই।
  • এখন থেকে পণ্যের যাচাইকরণ ও ল্যাব পরীক্ষা একই সাথে সম্পন্ন করা যাবে।
  • ফি জমা দেওয়ার দীর্ঘ প্রতীক্ষা ছাড়াই ল্যাব টেস্টের জন্য স্যাম্পল নেওয়া হবে।
  • ফল ও দুগ্ধজাত পণ্যের মতো পচনশীল সামগ্রী দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে সহায়ক হবে।
  • এই উদ্যোগের ফলে লজিস্টিক খরচ কমবে এবং পণ্যের গুণমান নিশ্চিত হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *