১০ মার্চ থেকে রণক্ষেত্র সামলাতে আসছে আরও ফোর্স, জেলাভিত্তিক কার ভাগে কত জওয়ান জেনে নিন

১০ মার্চ থেকে রণক্ষেত্র সামলাতে আসছে আরও ফোর্স, জেলাভিত্তিক কার ভাগে কত জওয়ান জেনে নিন

আগামী ১০ মার্চ থেকে বদলে যাচ্ছে রাজ্যের নিরাপত্তা মানচিত্র। নির্বাচন কমিশনের মেগা প্ল্যান অনুযায়ী এবার চূড়ান্ত হয়ে গেল ৪৮০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাগাভাগি। প্রথম দফার পর এবার দ্বিতীয় দফায় আরও ২৪০ কো ম্পা নি বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিল কমিশন, যার ফলে রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় জওয়ানের সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে।

কোথায় কত শক্তি মোতায়েন হচ্ছে

নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, সবথেকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদের ওপর। এই দুই জেলাতেই বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৫৮ কো ম্পা নি করে। স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তর ২৪ পরগনার তিন পুলিশ জেলা ও দুই কমিশনারেট এলাকাকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলতে চাইছে কমিশন। পিছিয়ে নেই কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাও। কলকাতায় মোতায়েন থাকছে মোট ৩০ কো ম্পা নি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৩ কো ম্পা নি বাহিনী।

জেলার বাহিনী বিন্যাস একনজরে

রাজ্যের প্রতিটি কোণায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কমিশন যে তালিকা তৈরি করেছে তা নিম্নরূপ:

  • পূর্ব মেদিনীপুর: ২৮ কো ম্পা নি
  • হুগলি: ২৭ কো ম্পা নি
  • পূর্ব বর্ধমান: ২৫ কো ম্পা নি
  • নদিয়া: ২২ কো ম্পা নি
  • হাওড়া ও বীরভূম: ২১ কো ম্পা নি করে
  • পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর: ২০ কো ম্পা নি করে
  • উত্তর দিনাজপুর: ১৯ কো ম্পা নি
  • মালদহ: ১৮ কো ম্পা নি
  • পশ্চিম বর্ধমান: ১৭ কো ম্পা নি
  • দার্জিলিং: ১৬ কো ম্পা নি
  • কোচবিহার: ১৫ কো ম্পা নি
  • বাঁকুড়া: ১৩ কো ম্পা নি
  • ঝাড়গ্রাম: ১১ কো ম্পা নি
  • দক্ষিণ দিনাজপুর ও জলপাইগুড়ি: ১০ কো ম্পা নি করে
  • আলিপুরদুয়ার: ৭ কো ম্পা নি
  • কালিম্পং: ৪ কো ম্পা নি

বাহিনীর শক্তি ও গঠন

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কড়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি কো ম্পা নিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকা বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয় দফায় যে ২৪০ কো ম্পা নি বাহিনী আসছে, তার মধ্যে সবথেকে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সিআরপিএফ (১২০ কো ম্পা নি)। এছাড়া বিএসএফ-এর ৬৫ কো ম্পা নি, আইটিবিপি-র ২০ কো ম্পা নি, এসএসবি-র ১৯ কো ম্পা নি এবং সিআইএসএফ-এর ১৬ কো ম্পা নি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। রবিবারের মধ্যেই প্রথম দফার অধিকাংশ জওয়ান জেলায় জেলায় পৌঁছে গিয়ে রুট মার্চ শুরু করে দিয়েছেন। ১০ মার্চের পর দ্বিতীয় দফার বাহিনী এসে পৌঁছালে গোটা রাজ্য কার্যত নিরাপত্তার দুর্গে পরিণত হতে চলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *