ইরানের একটি পদক্ষেপেই কি স্তব্ধ হয়ে যাবে গোটা বিশ্বের ইন্টারনেট পরিষেবা

ইরান, ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে ঘনীভূত যুদ্ধের মেঘে বিশ্বজুড়ে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই পথটি কেবল জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুট নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগের মূল ভিত্তি। সমুদ্রগর্ভস্থ ফাইবার-অপটিক কেবলগুলো এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, যুদ্ধ তীব্র হলে ইরান এই ডিজিটাল পরিকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে। এর ফলে ভিডিও কল, ইমেল থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং লেনদেন ও এআই পরিষেবাগুলো মুহূর্তেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে ১৭টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন কেবল ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকাকে সংযুক্ত করেছে। টাটা-টিজিএন গালফ বা ফ্যালকনের মতো প্রধান কেবল সিস্টেমগুলো ভারতের আন্তর্জাতিক ডেটা সংযোগের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই রুটগুলোতে ইরানপন্থী হুথি বিদ্রোহীদের হামলা বা নৌ-মাইন স্থাপনের ফলে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলে বিশ্ব অর্থনীতি কার্যত অচল হয়ে পড়বে। যুদ্ধকালীন এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের নিচের ডেটা সংযোগ রক্ষা করাই এখন আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।