ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন রোডম্যাপে গুরুত্ব পাচ্ছে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

বিএনিপি নেতা তারিক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর দিল্লির সঙ্গে ঢাকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দুই দেশই এখন পারস্পরিক সম্পর্ককে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করতে তৎপর। বিশেষ করে ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় হওয়া গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলোকে নতুন আঙ্গিকে এগিয়ে নিতে ঢাকা ইতিবাচক সঙ্কেত দিয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বা ‘সিপা’ (CEPA) নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে, যা দুই দেশের বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী ৭ থেকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন সরকার গঠনের পর এটিই হবে কোনো উচ্চপদস্থ প্রতিনিধির প্রথম ভারত সফর। এই সফরে গঙ্গা জল চুক্তির নবীকরণ, জ্বালানি সংকট সমাধান এবং বাণিজ্যিক প্রসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ এবং ঢাকার সংযত অবস্থান দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই নতুন রূপরেখা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।