ভোটার তালিকায় নাম নেই অথচ ভোটের ডিউটি, কমিশনের নির্দেশে হতবাক ভোটকর্মী

মালদহ জেলায় এক অদ্ভুত বিড়ম্বনার মুখে পড়েছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মী তৌসিক জামাল। বিগত চারটি নির্বাচনে সাফল্যের সঙ্গে ভোটকর্মীর দায়িত্ব পালন করলেও, আসন্ন নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার হারালেন তিনি। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো, নির্বাচন কমিশন এবারও তাঁকে ‘থার্ড পোলিং অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ করেছে। ভোটার তালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও ভোট পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পাওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয়ে রয়েছেন তৌসিক জামাল। তাঁর প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় নাম না থাকা একজন ব্যক্তি কীভাবে ভোটগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাজে নিযুক্ত হতে পারেন? এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তৌসিক দীর্ঘক্ষণ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করলেও এখনও পর্যন্ত কোনও সদুত্তর বা সমাধান মেলেনি।
সাধারণত ভোটার তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক হলেও এক্ষেত্রে নিয়মের ব্যতিক্রমী চিত্র ফুটে উঠেছে। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজের ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেতে মরিয়া এই স্বাস্থ্যকর্মী। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের এই ধরণের সমন্বয়হীনতা নিয়ে স্থানীয় স্তরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। খোদ ভোটকর্মীর ভোটাধিকার নিয়ে এমন অনিশ্চয়তা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক সতর্কতার ওপর বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাড়া করেছে।