ডিএ নিয়ে তৎপর নবান্ন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মীদের তথ্য তলব করল উচ্চ শিক্ষা দপ্তর

ডিএ নিয়ে তৎপর নবান্ন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মীদের তথ্য তলব করল উচ্চ শিক্ষা দপ্তর

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদানের প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করল নবান্ন। সোমবার উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। মূলত ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বেতন, ভাতা এবং পেনশনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে।

উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে একটি নির্দিষ্ট ডাটাবেস তৈরি করতে হবে। এমএস-এক্সেল ফরম্যাটে তৈরি এই তালিকায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মীদের প্রতি মাসে কত টাকা ডিএ বা মহার্ঘ ত্রাণ প্রদান করা হয়েছে, তার চূড়ান্ত হিসেব থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক কর্মচারী ও পেনশনভোগীর পরিচিতি তালিকা এবং সার্ভিস বুক যাচাই করে ডিডিও-র মাধ্যমে এই তথ্য প্রত্যয়িত বা সার্টিফাই করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চের মধ্যে সরকারি কর্মীদের চার বছরের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের বকেয়া পাওনা মেটানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহেই এই বিষয়ে অর্থ দপ্তরের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পেনশনভোগীদের ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গত বৃহস্পতিবারই জারি করা হয়েছিল, আর এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হওয়ায় বকেয়া ডিএ পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন কয়েক হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *