মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে মোদী সরকারকে তুলোধুনো প্রিয়াঙ্কার, গণতন্ত্রের কি তবে অবসান!

২০২৬-এর সীমানা পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন বিলের আবহে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বা মহিলা সংরক্ষণ বিলের কাঠামো নিয়ে সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান বিলে ওবিসি বা অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মহিলাদের জন্য কোনো আলাদা উপ-সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় তাঁদের প্রতি ‘অবিচার’ করা হচ্ছে। প্রিয়াঙ্কার দাবি, ওবিসি কোটা ছাড়া এই বিল কার্যকর করা হলে তা ভারতের গণতন্ত্রের জন্য একটি কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।
কংগ্রেস নেত্রীর মতে, ওবিসিরা ভারতের জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ হওয়া সত্ত্বেও বিলে তাঁদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়নি, যা তাঁদের অধিকার খর্ব করার শামিল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অবিলম্বে জাতিগত জনগণনা করে এর ভিত্তিতে ওবিসি ও তফশিলি জাতি-উপজাতিদের জন্য আসন সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিল পাস হওয়ার পরও কেন জনগণনা ও ডিলিমিটেশনের অজুহাতে এই আইন কার্যকর করতে দেরি করা হচ্ছে, তা নিয়ে সরকারের স্বচ্ছতা চেয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, এই বিল ঐতিহাসিক এবং সংবিধান মেনেই আনা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, বিরোধীরা মহিলা শক্তির উত্থানে বাধা দিতেই এ ধরনের মন্তব্য করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৬-এর ডিলিমিটেশন এবং ২০২৯-এর নির্বাচনের আগে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর এই অবস্থান জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে।