ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেই কি এবার ভোট দেওয়া যাবে? সুপ্রিম কোর্টের রায়টা জেনে নিন!

ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেই কি এবার ভোট দেওয়া যাবে? সুপ্রিম কোর্টের রায়টা জেনে নিন!

ভোটাধিকার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বড় রায়, ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষায় বিবেচনাধীন ভোটাররা

পশ্চিমবঙ্গের বিবেচনাধীন (SIR) ভোটারদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত জটিলতায় ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনকারীদেরই ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোট দেওয়ার ছাড়পত্র মিলবে না। চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ার পরই সেই ভোটাররা নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

ভোটের সময়সীমা ও ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা
শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনের দিনক্ষণ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের জন্য ২১ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার জন্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল যাদের আবেদন নিষ্পত্তি করে ইতিবাচক সাড়া দেবে, কেবল তারাই ভোট দিতে পারবেন। তবে নির্বাচনের দুই দিন আগে পর্যন্ত যেসব আবেদন অনিষ্পন্ন থাকবে বা যাদের নাম ট্রাইব্যুনাল বাতিল বলে ঘোষণা করবে, তারা আসন্ন নির্বাচনে ভোটদানের সুযোগ পাবেন না।

নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার বিবেচনাধীন ছিলেন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে ইতোমধ্যে ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের নাম তালিকায় ফিরে এলেও, ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। মূলত এই বাদ পড়া ভোটাররাই এখন ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হচ্ছেন। আদালতের এই রায়ের ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে এবং সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে আইনি জটিলতা নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • ট্রাইব্যুনালের রায়ে নাম চূড়ান্ত হলেই বিবেচনাধীন ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন।
  • প্রথম দফার ভোটের জন্য ২১ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার জন্য ২৭ এপ্রিল শেষ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
  • আবেদন নিষ্পত্তিতে ব্যর্থ হলে বা ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে নাম বাদ পড়লে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে না।
  • সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট এই বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *