টিসিএসের ধর্মান্তরণ কাণ্ড, কেউ ছাড় পাবে না! হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবিসের

টিসিএস-এর নাসিক কেন্দ্রে যৌন হেনস্তা ও ধর্মান্তরণ বিতর্ক: তদন্তভার নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা
আইটি খাতের জায়ান্ট সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস)-এর নাসিক শাখায় যৌন হেনস্তা ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরণের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। সংস্থার অন্তত ৯ জন মহিলা কর্মী অভিযোগ তুলেছেন যে, কো ম্পা নির কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও কর্মী ভালো বেতনের লোভ দেখিয়ে তাঁদের ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করেন। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রশাসনিক মহলে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর ও বড় কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন।
তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থার হস্তক্ষেপ
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস জানিয়েছেন, এই ঘটনার গভীরে যেতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সাহায্য নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে এই বিতর্ক সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে, যেখানে অবৈধ ধর্মান্তরের ঘটনা রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার একজন অভিযুক্ত নারী কর্মী নিদা খান বর্তমানে পলাতক এবং তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন।
এক ঝলকে
- নাসিকের টিসিএস কেন্দ্রে ৯ জন মহিলা কর্মীকে চাকরি ও বেতনের লোভ দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ উঠেছে।
- মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনার গভীর তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ঘটনাটিকে ‘বড় ষড়যন্ত্রের অংশ’ হিসেবে দেখছে প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টেও দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা।
- অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত এইচআর কর্মী নিদা খান পলাতক রয়েছেন এবং গ্রেফতারি এড়াতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।