কাজ়া ভ্রমণের জাদুকরী অভিজ্ঞতা, কুনজুম পাসের হাতছানি!

সড়কপথে স্পিতি ভ্যালি ভ্রমণের জন্য সিমলা, ফাগু, কিন্নর ও কল্পা হয়ে টাবো ও নাকো গ্রামে যাত্রাবিরতি নেওয়া প্রয়োজন। স্পিতি নদীর তীরবর্তী পথে পিন ভ্যালি ও মাড ভিলেজ পার হয়ে পর্যটকদের কাজ়ায় পৌঁছাতে হয়, যেখানে অন্তত দু’রাত অবস্থান করা উচিত। কাজ়ায় থাকাকালীন পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর থাকা হিক্কিম গ্রাম, ত্যাশীগং, কিববের ও চিচাম ব্রিজের মতো দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখা সম্ভব। এছাড়া কাজ়া থেকে রোতাং পাস হয়ে মানালির পথে যাত্রা করার সময় কুনজুম পাস এবং জনপ্রিয় চন্দ্রতাল লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
পুরো সফরের রুট পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করে কানপুর, কার্নাল, সিমলা, কল্পা, টাবো হয়ে কাজ়ায় পৌঁছাতে হয়। কাজ়া থেকে ফেরার পথে রোতাং পাস পেরিয়ে মানালিতে রাত্রিযাপন করতে হয়। এরপর সড়কপথে নয়ডা ও বারাণসী হয়ে কলকাতায় ফিরে আসা যায়। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছাতে ৭ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। গাড়ি চালিয়ে এই ‘চন্দ্রভূমি’ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত রোমাঞ্চকর, যেখানে কুনজুম পাস পার হওয়ার পথটি যেমন ভয়ঙ্কর, তেমনই মনোরম।