থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করুন নয়তো ফল ভুগতে হবে, বাঁকুড়া থেকে দুষ্কৃতীদের কড়া বার্তা মোদীর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বাঁকুড়ার বড়জোড়ার জনসভা থেকে তৃণমূল এবং স্থানীয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভোটগ্রহণের আগেই আইন অমান্যকারীদের সতর্ক করে তিনি সাফ জানিয়েছেন, সময় থাকতে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ না করলে ফল ভালো হবে না। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভোটের মুখে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে।
হুঁশিয়ারি ও সময়সীমা
বড়জোড়ার সভা থেকে সিন্ডিকেট ও মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সব সিন্ডিকেট ও গুন্ডাদের শেষ বার বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় আত্মসমর্পণ করুন। খুব ভালো হয় যদি ২৩ তারিখের আগে তা করেন।” ৪ মের পর বিজেপি ক্ষমতায় এলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। বিষ্ণুপুরের কয়লা পাচারকারী ও সিন্ডিকেট চক্রকেও এদিন সরাসরি আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রভাব ও রাজনৈতিক সংঘাত
প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মোদী দাবি করেন, তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত জেনেই শাসকদলের নেতারা ভয় ও হুমকির ভাষা ব্যবহার করছেন। তাঁর মতে, ‘ভয়ের কাল’ শেষ হয়ে এখন বিজেপির ‘ভরসার শাসন’ আসতে চলেছে। তৃণমূলের সিন্ডিকেট শাসনমুক্ত বাংলা গড়ার যে প্রতিশ্রুতি বিজেপি দিচ্ছে, এই হুঁশিয়ারি তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় নির্বাচনী প্রচার সভায় দুষ্কৃতীদের আত্মসমর্পণের কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
- ২৯ এপ্রিলের মধ্যে থানায় ধরা না দিলে ফল ভোগের হুঁশিয়ারি দিয়ে ৪ মে পরবর্তী ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
- সিন্ডিকেটরাজ ও কয়লা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
- মোদীর দাবি, পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তৃণমূল নেতারা গুন্ডামির ভাষা ব্যবহার করছেন।