নিজের জীবন বাজি রেখে নবজাতকদের বাঁচালেন ইরানি নার্স, ভাইরাল ভিডিও দেখে চোখে জল নেটিজেনদের

নিজের জীবন বাজি রেখে নবজাতকদের বাঁচালেন ইরানি নার্স, ভাইরাল ভিডিও দেখে চোখে জল নেটিজেনদের

যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিকতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন ইরানের একজন নার্স। সম্প্রতি ভারতের নয়া দিল্লিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বাজার সাথে সাথে নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে দুই নবজাতককে কোলে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটছেন এক নার্স। ১ মার্চ ২০২৬ তারিখের এই ফুটেজটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পর থেকেই ওই নার্সের সাহসিকতা প্রশংসায় ভাসছে।

হামলার মুখে কর্তব্যনিষ্ঠা

ইরানি দূতাবাসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার সময় এই ঘটনাটি ঘটে। হাসপাতালের ভেতরে যখন আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়, তখন কর্তব্যরত ওই নার্স ভয় না পেয়ে দ্রুত ইনকিউবেটরে থাকা শিশুদের উদ্ধার করেন। ভিডিওর পরবর্তী অংশে হামলার ফলে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশের ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও ফুটে উঠেছে। এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করল যে, যুদ্ধের বিভীষিকার মাঝেও মানুষের সেবায় উৎসর্গীকৃত প্রাণগুলো পিছু হটে না।

মানবিক বিপর্যয় ও বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া

হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বেসামরিক নাগরিক ও চিকিৎসাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অনেকের মতে, এই ভিডিওটি যুদ্ধের প্রকৃত রূপ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্রকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। তবে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে তথ্যের সত্যতা নিয়ে কিছু মহলে বিতর্ক থাকলেও নার্সের এই সাহসী ভূমিকা মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এক ঝলকে

  • ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন শুনে দুই নবজাতককে বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখেন এক ইরানি নার্স।
  • ভিডিওটি ১ মার্চ ২০২৬ সালের সিসিটিভি ফুটেজ বলে নিশ্চিত করেছে নয়া দিল্লির ইরানি দূতাবাস।
  • হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই নার্সের সাহসিকতা ও কর্তব্যপরায়ণতা ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *