গল্প এখনও শেষ হয়নি, শত্রুদের থেকে কড়া হিসাব নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন নেতানিয়াহু

গল্প এখনও শেষ হয়নি, শত্রুদের থেকে কড়া হিসাব নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন নেতানিয়াহু

সম্প্রতি ইসরায়েলে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় শোক সভায় যুদ্ধ ও হামলায় নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ এবং ইরান সমর্থিত বিভিন্ন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর উপস্থিতিতে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইসরায়েলের লড়াই এখনও থামেনি। নিহতদের গভীর শোককে জাতীয় শোক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসরায়েল একটি অখণ্ড পরিবারের মতো এবং একে অপরের বিপদে পাশে থাকাই তাদের মূল শক্তি।

শত্রুর বিরুদ্ধে নৈতিক লড়াই ও প্রতিরোধের বার্তা

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে দীর্ঘস্থায়ী বিদ্বেষ ও হিংসার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি দাবি করেন, গত কয়েকমাস ধরে চলা এই অস্থিরতা আসলে কয়েক প্রজন্মের ঘৃণা ও উস্কানির ফল। শিশুদের মনে ছোটবেলা থেকেই যে বিষ গেঁথে দেওয়া হয়, বর্তমান পরিস্থিতি তারই প্রতিফলন। ৯ বছর আগের দাঙ্গার স্মৃতি স্মরণ করে তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী আছে যে ইহুদি সম্প্রদায় বারবার আক্রান্ত হলেও তারা সবসময় ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শত্রুদের আদর্শগত অবস্থান এবং ইসরায়েলিদের নৈতিক অবস্থানের মধ্যে যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে, সেটিই এই যুদ্ধের মূল ভিত্তি বলে তিনি মনে করেন।

অপারেশন রোরিং লায়ন ও আগামীর পরিকল্পনা

গত বছরের ৭ অক্টোবরের নজিরবিহীন হামলার ঘটনার উল্লেখ করে নেতানিয়াহু জানান, আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি ইসরায়েলের ওপর হওয়া নৃশংসতার প্রমাণ তুলে ধরেছেন। হামাসের ওপর সামরিক চাপ এবং মিত্র দেশগুলোর সহযোগিতায় জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সফল হলেও মিশন এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা ইসরায়েলি পতাকা তাদের সাহস ও হার না মানার মানসিকতার প্রতীক। আইডিএফ এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে যাতে প্রতিটি আঘাতের কড়া জবাব দেওয়া নিশ্চিত করা যায়।

এক ঝলকে

  • শোক সভায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
  • শত্রুদের নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে এবং প্রতিটি আঘাতের সমান হিসাব নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
  • ৭ অক্টোবরের হামলার নৃশংসতা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার সাফল্যের কথা স্মরণ করেন।
  • ইরানের হামলা মোকাবিলায় ইসরায়েলি বাহিনীর সাহস ও ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর গুরুত্ব আলোচনা করেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *