‘মা বললেন-বউ তো হবেই!’ নাবালক প্রেমিককে নিয়ে পালিয়েছিল প্রেমিকা, দু’মাস পর সাবালক হতেই ঘটালো তাজ্জব ঘটনা

ভোপালে ২৮ বছর বয়সী এক নারীর সঙ্গে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের আসাম প্রেমের কাহিনী বর্তমানে তুঙ্গে। একই সোনার দোকানে কাজ করার সুবাদে কম্পিউটার অপারেটর ওই নারীর প্রেমে পড়েন কিশোর সহকর্মী। গত দুই মাস আগে নিজের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার ঠিক কয়েক দিন আগে ওই কিশোর নারীর সঙ্গে পালিয়ে ইন্দোর চলে যান। পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের মামলা করা হলেও দীর্ঘ সময় তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ হওয়ার নেপথ্যে ও প্রত্যাবর্তন
পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, গত ৩০ তারিখ রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর ওই কিশোরের ফোন বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগে পুলিশি তৎপরতা শুরু হলেও দীর্ঘ দুই মাস তারা লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। সম্প্রতি ওই কিশোরের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হতেই তারা পুনরায় শহরে ফিরে আসেন। থানায় দেওয়া জবানবন্দিতে যুবক জানিয়েছেন, তিনি কোনো চাপে নয় বরং নিজের ইচ্ছাতেই ওই নারীর সঙ্গে বসবাস করছিলেন। বর্তমানে যুবক সাবালক হওয়ায় এই অপহরণ মামলার আইনি গুরুত্ব অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সামাজিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা
ফিরে আসার পর ওই নারী এখন যুবকের বাড়িতেই থাকছেন এবং আগামী তিন বছর পর বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। যুবকের মা বিষয়টি নিয়ে কিছুটা নমনীয় হলেও আইনি জট পুরোপুরি কাটেনি। এই ঘটনাটি কর্মক্ষেত্রে আসাম বয়সের সম্পর্ক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকাকালীন পলায়নের আইনি পরিণতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাবালক হওয়ার পর নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার থাকলেও নিখোঁজ থাকাকালীন সময়ের আইনি দায়বদ্ধতা ওই নারীর ওপর এখনও রয়ে গেছে।
এক ঝলকে
- ভোপালের একটি সোনার দোকানে কাজ করার সময় ২৮ বছরের নারীর সঙ্গে ১৭ বছরের কিশোরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার ঠিক দুই মাস আগে ওই নারী কিশোরকে নিয়ে পালিয়ে ইন্দোরে থাকতে শুরু করেন।
- সম্প্রতি যুবক সাবালক হওয়ার পর তারা ফিরে আসায় অপহরণের মামলার গুরুত্ব ও আইনি গতিপ্রকৃতি বদলে গেছে।
- ওই নারী বর্তমানে যুবকের বাড়িতেই অবস্থান করছেন এবং পরিস্থিতির উন্নতি হলে বিয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।