বিয়ের দেড় বছর পর ফাঁস স্বামীর ‘ভয়ংকর’ সত্য! তিন সতীনের পর এবার সৎ ছেলের লালসার শিকার ঘরবধূ

উত্তরপ্রদেশের সম্বল এলাকায় বিয়ের দেড় বছর পর স্বামীর আসল পরিচয় জানতে পেরে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন এক নারী। বিয়ের সময় গোপন রাখা হলেও পরে জানা যায়, ওই ব্যক্তির আগে আরও তিনটি বিয়ে হয়েছে এবং প্রথম পক্ষের এক পুত্রসন্তানও রয়েছে। প্রতারণার শিকার ওই নারী সম্প্রতি পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়ে স্বামী ও সৎ ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই একটি মোটরসাইকেল ও মোটা অঙ্কের যৌতুকের দাবিতে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। অভিযোগের এক ভয়াবহ পর্যায়ে ওই নারী জানান, তার সৎ ছেলে একাধিকবার তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে। এই অনৈতিক আচরণের প্রতিবাদ করলে স্বামী তাকে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে ‘তিন তালাক’ দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
আইনি পদক্ষেপ ও বর্তমান পরিস্থিতি
প্রাথমিকভাবে স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ব্যর্থ হলেও, পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে অভিযুক্ত পিতা ও পুত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনাটি সামাজিক ও পারিবারিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে, যেখানে তথ্য গোপন করে বিয়ে এবং পরবর্তী সময়ে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে নারীদের।
এক ঝলকে
- বিয়ের সময় আগের তিনটি বিয়ের কথা গোপন রেখেছিলেন অভিযুক্ত স্বামী।
- যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন এবং সৎ ছেলের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ।
- প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
- পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত পিতা ও পুত্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।