লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে টেক্কা? অন্নপূর্ণার সাথে মোদীর ১০ ‘মহিলা গ্যারেন্টি’, একঝলকে দেখে নিন তালিকা!

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে টেক্কা? অন্নপূর্ণার সাথে মোদীর ১০ ‘মহিলা গ্যারেন্টি’, একঝলকে দেখে নিন তালিকা!

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বাংলার নারী ভোটব্যাঙ্ক সুনিশ্চিত করতে বড়সড় মাস্টারস্ট্রোক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সম্প্রতি কৃষ্ণনগর ও মথুরাপুরের জনসভা থেকে রাজ্যের মহিলাদের জন্য ১০টি নির্দিষ্ট ‘গ্যারেন্টি’ ঘোষণা করেছেন তিনি। তৃণমূল সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের পাল্টা হিসেবে বিজেপি এই জনমুখী প্রকল্পগুলোকে হাতিয়ার করছে, যা মূলত অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং নারী সুরক্ষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

মহিলাদের জন্য আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষার কবজ

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত এই ১০টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো বার্ষিক ৩৬ হাজার টাকা সরাসরি মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রদান। এছাড়া উচ্চশিক্ষার প্রসারে ছাত্রীদের স্নাতক স্তরে ৫০ হাজার টাকা এবং গর্ভবতী মায়েদের জন্য ২১ হাজার টাকার সহায়তার কথা জানানো হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি অপরাধ দমনে প্রতিটি ব্লকে মহিলা থানা গঠন এবং পুলিশ বাহিনীতে বড় আকারে নারীদের নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা নারী নিরাপত্তাকেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার প্রধান মাধ্যম হিসেবে দেখছে।

তৃণমূলের দুর্গে হানা ও রাজনৈতিক প্রভাব

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের শাসকদলের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ হলো মহিলা ভোটার। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো জনপ্রিয় প্রকল্পগুলোর সঙ্গে টক্কর দিতেই মোদী ‘লাখপতি দিদি’ গড়া এবং মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের আশ্বাস দিয়েছেন। এর ফলে গ্রামীণ ও শহরতলীর নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মহিলাদের মধ্যে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন এবং ভোটারদের মধ্যে এর প্রভাব আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলে বড় নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারে।

এক ঝলকে

  • প্রতি বছর মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩৬ হাজার টাকা এবং স্নাতক স্তরে ছাত্রীদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা।
  • প্রতিটি ব্লকে মহিলা থানা স্থাপন এবং পুলিশ বাহিনীতে নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ।
  • মুদ্রা যোজনার আওতায় স্টার্টআপের জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুবিধা।
  • সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার মাধ্যমে মেয়েদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং শিশুদের পুষ্টির জন্য অতিরিক্ত ৩৬ হাজার টাকা প্রদান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *