“বাইকে নয়, মসিডিজে বসে কাঁদা ভালো!” মায়ের শেখানো মন্ত্রেই পুরুষদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি করছেন এই তরুণী

জার্মানির বাসিন্দা কুইন আলেকজিস বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় তার অদ্ভুত জীবনধারার জন্য। নিজেকে ‘ফাইন্যান্সিয়াল ডমিনেট্রিক্স’ বা ‘ফিনডম’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া এই তরুণী ধনী পুরুষদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে তাদের অর্থ খরচ করাকেই নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। গত চার বছরে তার বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামী মার্সিডিজ গাড়ি, ডিজাইনার ব্যাগ এবং বিদেশ ভ্রমণের সমস্ত খরচ মিটিয়েছেন তার অনুগামী পুরুষরা, যাদের আলেকজিস ভালোবেসে ‘পে পিগ’ বলে ডাকেন।
বিলাসবহুল জীবনের নেপথ্যে মায়ের শিক্ষা
আলেকজিসের এই পথে আসার পেছনে রয়েছে তার মায়ের দেওয়া এক অদ্ভুত জীবনদর্শন। শৈশব থেকেই তার মা তাকে শিখিয়েছেন যে অর্থ উপার্জন করা পুরুষের কাজ এবং তা খরচ করা নারীর অধিকার। আলেকজিস জানান, তার মা তাকে বলতেন, “বাইকের পেছনে বসে কাঁদার চেয়ে মার্সিডিজে বসে কাঁদা অনেক ভালো।” মায়ের এই শিক্ষাকে পুঁজি করেই তিনি আভিজাত্যের শিখরে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেন এবং ধনী পুরুষদের নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন।
পেশা যখন অন্যের অর্থে রাজত্ব করা
শুরুতে ডেটিংয়ের মাধ্যমে খরচ জোগালেও পরে আলেকজিস ইউটিউবে অনলাইন ব্যবসার ধারণা পান। বর্তমানে তিনি এমন এক সম্পর্কের বলয় তৈরি করেছেন যেখানে পুরুষরা স্বেচ্ছায় তার অধীনে থাকে এবং বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান করে। আলেকজিস দাবি করেছেন, মাত্র সাত সপ্তাহে তার এক অনুগামী তাকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। সমালোচকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, সুন্দরী ও বুদ্ধিমতী হওয়ার কারণেই তিনি অন্যের অর্থে রাজকীয় জীবন যাপনের যোগ্য।
এক ঝলকে
মাত্র দুই মাসেরও কম সময়ে এক অনুগামীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা পাওয়ার দাবি করেছেন তিনি।
জার্মান তরুণী কুইন আলেকজিস ‘ফিনডম’ হিসেবে পুরুষদের অর্থ খরচ করে বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন।
মায়ের দেওয়া উপদেশে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি উপার্জনের বদলে পুরুষদের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাকে পেশা মানেন।
গত চার বছরে মার্সিডিজ গাড়ি থেকে শুরু করে দামী মেকআপ ও বিদেশ ভ্রমণের সব খরচ জুগিয়েছেন তার পুরুষ সঙ্গীরা।