“ডিভোর্স মানেই কেউ খারাপ নয়”, বিচ্ছেদের এক বছর পর ট্রোলিং নিয়ে মুখ খুললেন গায়ক রাহুল দেশপাণ্ডে!

“ডিভোর্স মানেই কেউ খারাপ নয়”, বিচ্ছেদের এক বছর পর ট্রোলিং নিয়ে মুখ খুললেন গায়ক রাহুল দেশপাণ্ডে!

প্রখ্যাত মারাঠি গায়ক রাহুল দেশপান্ডে ও তার স্ত্রী নেহা দেশপান্ডে দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন প্রায় এক বছর আগে। বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক কটাক্ষ ও নেতিবাচক প্রচারণার শিকার হয়েছিলেন এই শিল্পী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময় এবং বিচ্ছেদের নেপথ্যে থাকা প্রকৃত বাস্তবতা নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন তিনি।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থান

রাহুল স্পষ্ট করেছেন যে, বিবাহবিচ্ছেদ মানেই দুই পক্ষ একে অপরের শত্রু হয়ে যাওয়া নয়। তাদের কন্যা রেণুকার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা এখনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরের পোস্টে উপস্থিত থাকা বা মেয়ের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন যে, একটি সম্পর্কের আইনি অবসান ঘটলেও পারস্পরিক সম্মান অটুট রাখা সম্ভব। তার মতে, বিচ্ছেদ মানেই একে অপরকে দোষারোপ করা বা ভুল খুঁজে বের করা নয়।

গুজব ও সামাজিক চাপ

বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর রাহুলের চরিত্র নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল, এমনকি পরকীয়ার মতো গুজবও ছড়িয়েছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কৈফিয়ত দিতে চাননি বলেই তিনি দীর্ঘ সময় সব ফোন কল এড়িয়ে গেছেন। অহেতুক জল্পনা এবং ‘কার দোষ বেশি’—এমন বিচারক সুলভ মানসিকতা থেকে সমাজকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রাহুল মনে করেন, বিচ্ছেদের ফলে কোনো মানুষই খারাপ হয়ে যায় না, বরং জীবনের প্রয়োজনে কখনো কখনো আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

এক ঝলকে

  • গায়ক রাহুল দেশপান্ডে ও স্ত্রী নেহা দেশপান্ডের এক বছর আগে বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে।
  • বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে পরকীয়া বা ব্যক্তিগত বিরোধের গুজব নাকচ করেছেন রাহুল।
  • মেয়ের অভিভাবক হিসেবে তারা এখনো স্বাভাবিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছেন।
  • ট্রোলিং বা সামাজিক সমালোচনা এড়াতে দীর্ঘ সময় জনসম্মুখে চুপ ছিলেন এই শিল্পী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *