বুথ দখলের চেষ্টায় কেন্দ্রীয় বাহিনী! দ্বিতীয় দফার আগে মমতার বিস্ফোরক অভিযোগে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ঠিক আগে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভবানীপুরের এক নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ইভিএম এবং বুথ দখলের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বিজেপি সুকৌশলে নিজেদের অনুকূলে ভোট করানোর ছক কষছে।
ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ ও রাজনৈতিক তরজা
তৃণমূল সুপ্রিমোর মতে, নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, রাজ্যের শাসক দলের এই অভিযোগকে পরাজয়ের আগাম অজুহাত বলে কটাক্ষ করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির দাবি, নিজেদের নিশ্চিত হার বুঝতে পেরেই মুখ্যমন্ত্রী এখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন।
এই পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক তরজার জেরে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আবহাওয়া আরও তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং সাধারণ ভোটারদের মনেও এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাচন কমিশন নড়েচড়ে বসেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং অবাধ ভোটদান সুনিশ্চিত করতে প্রতিটি বুথে কড়া নজরদারি ও ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় দফার হাইভোল্টেজ নির্বাচনের আগে এই ধরনের অভিযোগ সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বুথ ও ইভিএম দখলের মারাত্মক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
- সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বিজেপি নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে বলে দাবি তৃণমূলের।
- শাসক দলের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও পরাজয়ের আগাম অজুহাত বলে পাল্টা দাবি বিজেপির।
- অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটদান নিশ্চিত করতে নজরদারি ও ওয়েবকাস্টিংয়ে জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।