ভোটের আগে রাজ্যে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ৩৬ ঘণ্টায় জালে দেড় হাজারেরও বেশি

দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজিরবিহীন সক্রিয়তা দেখাচ্ছে প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশে গত ৩৬ ঘণ্টায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভোটের ঠিক আগে অশান্তি এড়াতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই ধরপাকড় চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
কমিশন সূত্রে খবর, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে সম্ভাব্য গোলমাল রুখতে পুলিশকে বিশেষ তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী এলাকায় উত্তেজনা ছড়াতে পারেন বা অতীতে অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়। ধৃতদের মধ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের নামও জড়িয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার ওই কাউন্সিলরের নাম নাড়ুগোপাল ভকত বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর কমিশন
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বার্তা ছিল, ভোটের ময়দানে কোনো ধরনের পেশিবল বা দাপট বরদাস্ত করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে তল্লাশি বাড়িয়ে এই বিপুল সংখ্যক ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এত বড় মাপের গ্রেফতারি আসন্ন দফার ভোটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। একদিকে যেমন দুষ্কৃতীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হবে, অন্যদিকে সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- গত ৩৬ ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে পুলিশের অভিযানে মোট ১৫৪৩ জন গ্রেফতার হয়েছেন।
- ধৃতদের মধ্যে পূর্ব বর্ধমানের এক তৃণমূল কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত রয়েছেন।
- ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফার ভোট নির্বিঘ্ন করতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন।
- অশান্তি পাকানোর আশঙ্কায় থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে এই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।