আজ থেকে শনিবার দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস!

আজ থেকে শনিবার দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস!

দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির দাপট কমার কোনো লক্ষণ নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা প্রচুর জলীয় বাষ্পের প্রভাবে আগামী রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পরিস্থিতি বজায় থাকবে। বিশেষ করে সাতটি জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে, যা মে মাসের প্রচণ্ড দাবদাহ থেকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও স্বাভাবিক জনজীবনকে কিছুটা বিপর্যস্ত করতে পারে।

ঘূর্ণাবর্তের জেরে কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি

আবহাওয়াবিদদের মতে, উত্তরপ্রদেশের ওপর একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে, যা বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরির অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়ায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সাথে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ঝড়ের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং কিছু এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে।

সোমবার থেকে আবহাওয়ার ভোলবদল

চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির এই দাপট চললেও আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই আবহাওয়ার ভোলবদল হতে পারে। আবহাওয়া দফতরের ইঙ্গিত, সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে। আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়বে তাপমাত্রা। ফলে মে মাসের চেনা ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি আবারও ফিরে আসবে। উত্তরবঙ্গেও শনিবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। রবিবার পর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ— উভয়বঙ্গেই পারদ চড়তে শুরু করবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *