‘সবার মতামত নিয়েই তৈরি হবে নতুন শিক্ষানীতি’, বড় ঘোষণা শঙ্কর ঘোষের

রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং স্বচ্ছতা ফেরাতে তৎপরতা শুরু করল নতুন সরকার। আজ সোমবার সকালে বিকাশ ভবনে শিক্ষা দফতরে হাজির হন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত-সহ বিজেপি বিধায়কদের একটি বিশেষ দল। শিক্ষা দফতর বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকায় তাঁরই নির্দেশে গঠিত বিধায়কদের এই দলটি আজ স্কুল শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়।
দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ও স্বচ্ছ নিয়োগের লক্ষ্য
বৈঠকে শিক্ষা সচিব বিনোদ কুমার-সহ বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত বর্তমান পরিষেবা ও প্রকল্পগুলির হাল-হকিকত খতিয়ে দেখা হয়। বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি, বছরের পর বছর আদালতে মামলা ঝুলে থাকা এবং চাকরি বাতিলের মতো ঘটনায় রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র যে গভীর সংকটে পড়েছিল, তা থেকে উত্তরণের পথ খোঁজা এই পরিদর্শনের অন্যতম প্রধান কারণ। নির্বাচনের প্রচারে দেওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি পূরণে স্কুল ও উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রথম থেকেই সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে বর্তমান শাসকদল।
বৈঠক শেষে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাজ্যের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবং উন্নতমানের শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে সব স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিশদ আলোচনা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রের বর্তমান অচলাবস্থা কাটিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। কোনো একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও অংশীজনদের সামগ্রিক মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতেই রাজ্যের নতুন শিক্ষানীতি নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।
এক ঝলকে
- রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিকাশ ভবনে বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠক।
- শিক্ষা সচিব বিনোদ কুমারসহ স্কুল ও উচ্চশিক্ষা দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা।
- বিগত সরকারের আমলের নিয়োগ দুর্নীতি কাটিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ফেরানোই মূল লক্ষ্য।
- সকলের মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে রাজ্যের আগামী শিক্ষানীতি নির্ধারণ করার ঘোষণা শঙ্কর ঘোষের।