১৫ দিনের ডেডলাইন! কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু করতে সচিবদের চরম বার্তা মুখ্যসচিবের

১৫ দিনের ডেডলাইন! কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু করতে সচিবদের চরম বার্তা মুখ্যসচিবের

মোদি সরকারের সমস্ত প্রকল্প বাংলায় দ্রুত চালু করতে কোমর বাঁধল নবান্ন! ১৫ দিনের চরম সময়সীমা বেঁধে সব দপ্তরের সচিবদের কড়া চিঠি পাঠালেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। পূর্বতন সরকারের আমলে আটকে থাকা কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোকে রাজ্যে দ্রুত বাস্তবায়িত করতেই এই নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যে নতুন ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার গঠনের পর প্রতিটি কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসন।

গতি বাড়াতে কড়া নির্দেশ

মুখ্যসচিবের পাঠানো চিঠিতে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়ণে কোনো রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। যে সমস্ত প্রকল্প এখনো রাজ্যে চালু করা যায়নি, সেগুলো দ্রুত কার্যকর করতে কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলোর সঙ্গে অবিলম্বে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিভাগীয় প্রধানদের। শুধু নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি নবান্ন, বরং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট ফর্ম্যাটে কাজ শুরুর অগ্রগতির রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য কড়া সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

বাস্তবায়নের পথে একগুচ্ছ প্রকল্প

ইতিমধ্যেই রাজ্যে ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং একই সঙ্গে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ ও ‘পিএম শ্রী’ প্রকল্প লাগু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া পঞ্চায়েত, পুর ও নগরোন্নয়নসহ একাধিক দপ্তরের কেন্দ্রীয় সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোকেও বাংলায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নিয়মকানুন মেনে কাজ শুরু করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ হওয়ায়, অকারণ বিলম্ব এড়াতেই এখন থেকে নবান্ন এই আগাম ও আগ্রাসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এক ঝলকে

  • বাংলায় সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প দ্রুত চালু করতে সব দপ্তরের সচিবদের কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।
  • আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা ও প্রাথমিক কাজ সেরে নবান্নে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • ‘জল জীবন মিশন’, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ ও ‘পিএম শ্রী’ সহ আটকে থাকা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যে লাগু হচ্ছে।
  • অকারণ বিলম্ব এড়িয়ে মোদি সরকারের প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছে বর্তমান সরকার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *