ইমপায় ক্ষমতার লড়াই তুঙ্গে, এবার আদালতের দরজায় বিদায়ী সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/23/piya-sengupta-2026-05-23-10-39-47.jpg?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইমপা)-এর অন্দরে ক্ষমতার লড়াই এবার চরম আকার ধারণ করল। সোমবার সকালে সংগঠনের অস্থায়ী সভাপতির আসনে রতন সাহা বসার পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন বিদায়ী সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত। এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নিজের অধিকার ফিরে পেতে এবার তিনি আইনি পথেই লড়াই চালাবেন।
গণতন্ত্রহীনতার অভিযোগ ও আইনি হুঁশিয়ারি
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পিয়া সেনগুপ্ত অভিযোগ করেন, তাঁকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পদ থেকে সরানো হয়েছে। তাঁর দাবি, যে বৈঠকে এই অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো গণতান্ত্রিক পরিবেশ ছিল না। বরং বিশৃঙ্খলা, মানসিক চাপ এবং অপমানের পরিস্থিতি তৈরি করে এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেকে বৈধভাবে নির্বাচিত সভাপতি দাবি করে তিনি জানান, নিয়ম মেনে দায়িত্ব নেওয়ার পর এভাবে কাউকে সরানো যায় না। ইতিমিধ্যেই আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন।
সংগঠনের ভাবমূর্তি ও ভবিষ্যৎ সংকট
এই আকস্মিক ডামাডোলের জেরে টলিউডের অন্যতম শীর্ষ এবং ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ইমপার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পিয়া। তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে কিছু সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই অশান্তি তৈরি করছেন। অন্যদিকে, রতন সাহার শিবিরের দাবি, সংগঠনের অধিকাংশ সদস্যের সমর্থন এবং ইমপার স্বাভাবিক কাজকর্ম সচল রাখতেই এই অস্থায়ী সভাপতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাল্টাপাল্টি এই অবস্থানের কারণে ইমপাকে ঘিরে নতুন করে বড়সড় বিতর্ক দানা বেঁধেছে। টলিউড ইন্ডাস্ট্রির একাংশের মতে, এই প্রশাসনিক টানাপোড়েন যদি শেষ পর্যন্ত আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, তবে আগামী দিনে সংগঠনের দৈনন্দিন কাজকর্ম যেমন ব্যাহত হবে, তেমনই অভ্যন্তরীণ সংঘাত আরও তীব্র রূপ ধারণ করবে।