সংসদে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ! কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্পিকারের দ্বারস্থ কাকলি

সংসদে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ! কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্পিকারের দ্বারস্থ কাকলি

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এবার দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন বারাসাতের সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে জানিয়েছেন যে, লোকসভার অধিবেশন চলাকালীন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বারবার মৌখিকভাবে অপমান করেছেন এবং আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেছেন।

অভিযোগের বিস্তারিত ও স্পিকারকে চিঠি

কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, কেবল তাঁকেই নয়, বরং লোকসভার একাধিক মহিলা সাংসদকেও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অপমানজনক ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তৃণমূলের সমস্ত দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

এই বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, দলের প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার উভয়েই দলের দীর্ঘদিনের সদস্য। তিনি জানান, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে প্রচুর সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছেন। একইসঙ্গে কুণাল ঘোষ এই পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা তীর্যক মন্তব্য করে বলেন, বর্তমানে দল ও রাজনীতির পরিবেশে অনেক সাংসদই নানা কারণে অস্থির বা অস্বস্তিতে রয়েছেন, যা এই ধরনের ঘটনার নেপথ্যে কাজ করতে পারে।

এই ঘটনাকে ঘিরে বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি তৃণমূলের অন্দরেও যে অস্বস্তি বাড়ছে, তা স্পষ্ট। স্পিকার ওম বিড়লা এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *