বিশ্বমঞ্চে নতুন দিনের অপেক্ষায় পাঁচ তরুণ তুর্কি

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরই নতুন তারকার জন্ম দেয়। লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মতো কিংবদন্তিদের বর্ণিল ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে বিশ্ব তাকিয়ে আছে এক নতুন প্রজন্মের দিকে। ২০২৬ বিশ্বকাপে অভিজ্ঞদের ভিড়ে যারা নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে ফুটবল বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসতে পারেন, এমন পাঁচ উদীয়মান ফুটবলারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি প্রত্যাশা।
মেসির উত্তরাধিকারী ও নতুন বিস্ময়
স্পেনের লামিন ইয়ামাল বর্তমান ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত নাম। বার্সেলোনার লা মাসিয়া অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা মাত্র ১৮ বছর বয়সি এই কিশোর ইতিমধ্যেই ইউরো কাপ জয় করে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। বাঁ পায়ের জাদুতে তিনি এতটাই উজ্জ্বল যে অনেকেই তাকে মেসির উত্তরসূরি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার ২১ বছর বয়সি তারকা নিকো পাজ় ইটালির সিরি এ-তে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে নজরে এসেছেন। দেশের জার্সিতে মেসির সতীর্থ হিসেবে নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই তিনি ছাপ ফেলতে প্রস্তুত।
ইউরোপের মঞ্চ কাঁপানো তিন প্রতিভা
জার্মানির জামাল মুসিয়ালা ২৩ বছর বয়সেই ড্রিবলিং ও গোল করার দক্ষতায় নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বায়ার্ন মিউনিখের এই তরুণ গত ইউরো কাপেও নিজের ঝলক দেখিয়েছেন। ইংল্যান্ডের ২১ বছর বয়সি ফুটবলার ও’রেইলি ম্যাঞ্চেস্টার সিটির কোচ পেপ গুয়ার্দিওলার আস্থার প্রতিদান দিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরতে মরিয়া। লেফট ব্যাক ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার—উভয় ভূমিকাতেই সাবলীল এই ফুটবলার এবার ইংল্যান্ডের বড় ভরসা। এই তালিকার পঞ্চম তারকা হলেন তুরস্কের ২১ বছর বয়সি মিডফিল্ডার কেনান ইয়েল্ডিজ়। জুভেন্টাসের হয়ে দারুণ ফর্মে থাকা এই তরুণ তুর্কি আর্দা গুলেরের সঙ্গে মিলে তুরস্কের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছেন।
এই পাঁচ তরুণ ফুটবলারের শারীরিক গতি, মাঠের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং গোল করার সহজাত প্রবণতা বিশ্বকাপের লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মেসি-রোনাল্ডোর বিদায়বেলায় এই নতুন তারকারা যদি নিজেদের সেরাটা দিতে পারেন, তবে বিশ্বফুটবল নতুন এক দিগন্তের সন্ধানে এগিয়ে যাবে।