সিএবি-র এজিএম-এ কার ইশারায় সুজয় হাজরা? মুখ খুলতেই আইনি হুঁশিয়ারি বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থার

সুজয় হাজরার গ্রেফতারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএবি (CAB) এবং মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব সঞ্জিত তরৈর মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। পুরো বিষয়টি নিচে তুলে ধরা হলো:
সঞ্জিত তরৈর অভিযোগ:
সঞ্জিত তরৈ অভিযোগ করেছিলেন, গত সিএবি বার্ষিক সাধারণ সভার (AGM) আগে তিনি প্রতিনিধি হিসেবে নিজের নাম জমা দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সিএবি-র হেড ক্লার্ক তা নিতে অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে তাঁকে চাপ দেওয়া হয় এবং সুজয় হাজরাকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানোর জন্য বাধ্য করা হয়।
সিএবি-র পাল্টা বিবৃতি:
রবিবার সিএবি আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযোগকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘সত্যের অপলাপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি:
- নথির অভাব: সঞ্জিত তরৈ যখন প্রথমবার ফর্ম জমা দিতে পাঠিয়েছিলেন, তখন তাতে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী কমিটির সিদ্ধান্তের বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারপত্র ছিল না। সেই ত্রুটির কথা তাঁকে জানানো হয়েছিল।
- নথিপত্র সংশোধন: এরপর ৯ সেপ্টেম্বর সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সহ ফের আবেদন জমা দেয় মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা। সেই ফর্মে প্রতিনিধি হিসেবে সুজয় হাজরার নাম ছিল এবং সঞ্জিত তরৈ নিজেই সেখানে সই ও সিলমোহর দিয়েছিলেন।
- স্বচ্ছতা: সিএবি স্পষ্ট করেছে যে, কোন জেলা কাকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাবে, তাতে তাদের কোনো হস্তক্ষেপ থাকে না। এটি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা সংস্থার নিজস্ব বিষয়।
- আইনি হুঁশিয়ারি: সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৪ সালেও সুজয় হাজরাই প্রতিনিধি ছিলেন। সঞ্জিত তরৈ ইচ্ছাকৃতভাবে সংস্থার ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন, তাই তাঁর বিরুদ্ধে সিএবি আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছে।
সংক্ষেপে, সিএবি তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে রাজনীতিমুক্ত এবং স্বচ্ছ বলে দাবি করেছে এবং সঞ্জিত তরৈর অভিযোগকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে কড়া আইনি হুঁশিয়ারি দিয়েছে।