কবে সমাপ্ত হবে কলিযুগ? দুষ্টের বিনাশে কবে মর্ত্যে ফিরবেন বিষ্ণুর শেষ অবতার কল্কি?

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাণীর মাধ্যমেই আমরা জানি, যখনই পৃথিবীতে অধর্ম ও অবিচারের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য ঘটে, তখনই পাপের বিনাশ ও ধর্ম সংস্থাপনের জন্য বিষ্ণু মর্ত্যে অবতার রূপে অবতীর্ণ হন। হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ও পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান বিষ্ণুর দশটি অবতারের মধ্যে নয়টি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন বিশ্ববাসীর প্রতীক্ষা—দশম ও শেষ অবতার ‘কল্কি’র জন্য।
কলিযুগের বর্তমান পরিস্থিতি ও কল্কি অবতারের প্রয়োজনীয়তা শ্রীকৃষ্ণের অন্তর্ধানের সঙ্গে সঙ্গেই কলিযুগের সূত্রপাত হয়। শুরুতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে ক্রোধ, ঘৃণা, হিংসা এবং নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। যুদ্ধ, রক্তপাত ও হানাহানি আজ নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এই চরম অরাজকতার সময়েই পুরাণ অনুযায়ী পরিত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হবেন কল্কি অবতার।
রাজা নল ও কলিযুগের সম্পর্ক কলিযুগের স্বরূপ বোঝার জন্য মহাভারতের ‘বন পর্ব’ একটি গুরুত্বপূর্ণ আখ্যান। সেখানে বর্ণিত হয়েছে যে, রাজা নলের সততা কলিযুগকে দীর্ঘ সময় বিভ্রান্ত করে রেখেছিল। অবশেষে একটি সামান্য ভুলের সুযোগ নিয়ে নলের শরীরে প্রবেশ করে তিনি রাজা ও তাঁর স্ত্রী দময়ন্তীকে গভীর সংকটে ফেলেছিলেন। এই আখ্যানটি আমাদের শেখায় যে, কলিযুগ সর্বদা মানুষের দুর্বলতার অপেক্ষায় থাকে।
কবে এবং কোথায় জন্ম নেবেন কল্কি? বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও ভবিষ্য মলিকা অনুযায়ী, কলিযুগের একটি নির্দিষ্ট পর্যায় অতিক্রান্ত হলে কল্কি অবতারের আবির্ভাব ঘটবে। প্রাচীন শাস্ত্রের ইঙ্গিত অনুযায়ী:
- জন্মস্থান: সমবালা গ্রামে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করবেন তিনি।
- উদ্দেশ্য: পাপের বিনাশ ও পুনরায় সত্যযুগ প্রতিষ্ঠা করা।
- সময়কাল: ভবিষ্য মলিকা অনুসারে, কলিযুগের ৫০০০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তাঁর আগমন ঘটবে এবং তিনি দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মর্ত্য থেকে সমস্ত অধর্মের মূলোৎপাটন করবেন।
পৃথিবীর এই সংকটময় মুহূর্তে শান্তি ও ন্যায়ের প্রত্যাশায় আজও অগণিত মানুষ কল্কি অবতারের আগমনী বার্তার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।কবে সমাপ্ত হবে কলিযুগ? দুষ্টের বিনাশে কবে মর্ত্যে ফিরবেন বিষ্ণুর শেষ অবতার কল্কি?
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বাণীর মাধ্যমেই আমরা জানি, যখনই পৃথিবীতে অধর্ম ও অবিচারের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য ঘটে, তখনই পাপের বিনাশ ও ধর্ম সংস্থাপনের জন্য বিষ্ণু মর্ত্যে অবতার রূপে অবতীর্ণ হন। হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ও পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান বিষ্ণুর দশটি অবতারের মধ্যে নয়টি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন বিশ্ববাসীর প্রতীক্ষা—দশম ও শেষ অবতার ‘কল্কি’র জন্য।
কলিযুগের বর্তমান পরিস্থিতি ও কল্কি অবতারের প্রয়োজনীয়তা শ্রীকৃষ্ণের অন্তর্ধানের সঙ্গে সঙ্গেই কলিযুগের সূত্রপাত হয়। শুরুতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে ক্রোধ, ঘৃণা, হিংসা এবং নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। যুদ্ধ, রক্তপাত ও হানাহানি আজ নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এই চরম অরাজকতার সময়েই পুরাণ অনুযায়ী পরিত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হবেন কল্কি অবতার।
রাজা নল ও কলিযুগের সম্পর্ক কলিযুগের স্বরূপ বোঝার জন্য মহাভারতের ‘বন পর্ব’ একটি গুরুত্বপূর্ণ আখ্যান। সেখানে বর্ণিত হয়েছে যে, রাজা নলের সততা কলিযুগকে দীর্ঘ সময় বিভ্রান্ত করে রেখেছিল। অবশেষে একটি সামান্য ভুলের সুযোগ নিয়ে নলের শরীরে প্রবেশ করে তিনি রাজা ও তাঁর স্ত্রী দময়ন্তীকে গভীর সংকটে ফেলেছিলেন। এই আখ্যানটি আমাদের শেখায় যে, কলিযুগ সর্বদা মানুষের দুর্বলতার অপেক্ষায় থাকে।
কবে এবং কোথায় জন্ম নেবেন কল্কি? বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও ভবিষ্য মলিকা অনুযায়ী, কলিযুগের একটি নির্দিষ্ট পর্যায় অতিক্রান্ত হলে কল্কি অবতারের আবির্ভাব ঘটবে। প্রাচীন শাস্ত্রের ইঙ্গিত অনুযায়ী:
- জন্মস্থান: সমবালা গ্রামে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করবেন তিনি।
- উদ্দেশ্য: পাপের বিনাশ ও পুনরায় সত্যযুগ প্রতিষ্ঠা করা।
- সময়কাল: ভবিষ্য মলিকা অনুসারে, কলিযুগের ৫০০০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তাঁর আগমন ঘটবে এবং তিনি দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মর্ত্য থেকে সমস্ত অধর্মের মূলোৎপাটন করবেন।
পৃথিবীর এই সংকটময় মুহূর্তে শান্তি ও ন্যায়ের প্রত্যাশায় আজও অগণিত মানুষ কল্কি অবতারের আগমনী বার্তার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।