সদলবলে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা! জাতীয় রাজনীতিতে বড় মোড়
/indian-express-bangla/media/media_files/5dK9hGwIDdI3bMJXh81v.jpg?w=640&resize=640,360&ssl=1)
দিল্লির রাজনৈতিক আঙিনায় জোর গুঞ্জন, তৃণমূল কংগ্রেস পুরোপুরিভাবে হাত মেলাতে চলেছে কংগ্রেসের সঙ্গে। সোমবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের পর কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ বৈঠক এই জল্পনাকে উস্কে দিয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার দেশের সব রাজ্যের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের দিল্লিতে জরুরি তলব করেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।
তৃণমূল-কংগ্রেস সমঝোতার গুঞ্জন
সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সহযোগী নেতাদের নিয়ে কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন অথবা তৃণমূল কংগ্রেসকে কংগ্রেসের মূল স্রোতে বিলীন করে দিতে পারেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে এই সংযুক্তির আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় স্তরে দলের সহ-সভাপতি করার প্রস্তাব দিয়েছেন। পাশাপাশি, অভিষেকের জন্যও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ ভাবা হয়েছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিসে এই জরুরি বৈঠক ডাকার ফলেই জল্পনা এখন বাস্তব রূপ নেওয়ার পথে।
আঞ্চলিক রাজনীতির সমীকরণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
সাম্প্রতিক সময়ে ইন্ডিয়া জোট থেকে আম আদমি পার্টি, ডিএমকে এবং সিপিএমের মতো একাধিক দল দূরত্ব তৈরি করায় বিরোধী শিবির কিছুটা দুর্বল হয়েছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলোর শক্তি হ্রাস পাওয়ায় জাতীয় স্তরে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজন পোড় খাওয়া ও গ্রহণযোগ্য মুখের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা ও দর কষাকষির ক্ষমতা অনেকটাই বেড়েছে। এই রাজনৈতিক সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী শক্তি নতুন রূপ নেবে এবং বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের যৌথ মঞ্চ এক নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।