জোড়া ফলায় অভিষেক! সই বিতর্কের পর এবার ডিজে বাজানোর হুমকিতেও তলব সিআইডির
.jpeg.webp?w=800&resize=800,449&ssl=1)
বিধানসভার সই জালিয়াতি বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সিআইডি-র তলব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার ম্যারাথন জেরার পর এবার নির্বাচনী প্রচারে উসকানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে আগামী ১৬ জুন তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে সই-কাণ্ডে ১৪ জুন রবিবার তাঁকে দ্বিতীয়বার তলব করা হয়েছিল। অর্থাৎ, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’টি ভিন্ন মামলায় গোয়েন্দাদের মুখোমুখি হতে হবে তৃণমূল সাংসদকে।
কী কারণে এই জোড়া তলব
রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন যে ৪ জুনের পর ডিজে বাজানো হবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলা না নেওয়ার নীতি ভুল ছিল। এই প্রচ্ছন্ন হুমকির অভিযোগেই বাগুইআটি ও সল্টলেক সাইবার ক্রাইম থানায় এফআইআর দায়ের হয় এবং শুক্রবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাসভবনে নোটিস ধরাতে পৌঁছায় সিআইডি। অন্যদিকে, বিধানসভার পরিষদীয় দলের চিঠিতে বিধায়কদের ভুয়ো স্বাক্ষরের অভিযোগ সংক্রান্ত পুরোনো মামলায় রবিবার তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তৃণমূল শিবিরে সম্ভাব্য প্রভাব
কালীঘাটের অন্দরে যখন দলের আদি ও নবীন শিবিরের মধ্যে দ্বন্দ্বের আবহ তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই সময়েই পরপর এই জোড়া তলব রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তাঁর লুকনোর কিছু নেই এবং তিনি সব রকম তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবুও রাজনৈতিক ও আইনি মহলের মতে, হাইকোর্টের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও সিআইডি-র এই ধারাবাহিক আইনি পদক্ষেপ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর প্রবল মানসিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে, যা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে তুলবে।