কেন্দ্রের টাকা ফেরানোই কাল! ৭৮০টি শহরের উন্নয়ন আটকে তৃণমূলকে তোপ শমীকের

কেন্দ্রের টাকা ফেরানোই কাল! ৭৮০টি শহরের উন্নয়ন আটকে তৃণমূলকে তোপ শমীকের

রাজ্যে পরিকল্পিত উন্নয়নের গতি ব্যাহত হওয়ার জন্য পূর্বতন তৃণমূল সরকারের প্রশাসনিক অনীহা ও উদাসীনতাকেই দায়ী করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার সমাজমাধ্যমে তিনি অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বড় উন্নয়নমূলক প্রকল্প রাজ্যে বাস্তবায়িত হতে দেওয়া হয়নি। এর ফলে চরম বঞ্চনার শিকার হয়েছেন রাজ্যের ৭৮০টি ‘সেনসাস টাউন’-এর সাধারণ মানুষ।

পরিকল্পিত নগরোন্নয়নে বঞ্চনা ও কারণ

বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ২০১৬ সালে কেন্দ্রের লক্ষ্য ছিল রাজ্যের এই ৭৮০টি সেনসাস টাউনকে নগর প্রশাসনের আওতায় নিয়ে আসা। কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে সেখানে উন্নত রাস্তাঘাট, নিকাশি ব্যবস্থা, পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ, বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং স্ট্রিট লাইটের মতো অত্যাবশ্যকীয় নাগরিক পরিষেবাগুলি গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তৎকালীন রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। এর সুস্পষ্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই সমস্ত দ্রুত বর্ধনশীল জনবসতিগুলির ওপর। কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে প্রয়োজনীয় নাগরিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে এলাকাগুলি বর্তমানে অপরিকল্পিত নগরায়নের চরম সমস্যায় জর্জরিত।

আধুনিক পরিকাঠামো গড়ার আশ্বাস

তবে রাজ্যে নতুন ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এই পরিস্থিতির দ্রুত বদল ঘটবে বলে আশ্বস্ত করেছেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, রাজ্যের মানুষ এখন আর রাজনৈতিক সংঘাত চান না, তাঁদের প্রধান দাবি সার্বিক উন্নয়ন। নতুন সরকার কেন্দ্রের অর্থ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সুস্পষ্ট রূপরেখাকে কাজে লাগিয়ে এই অবহেলিত অঞ্চলগুলিতে উন্নত ও আধুনিক নগর পরিকাঠামো গড়ে তুলবে। অতীতে রাজনৈতিক অনীহার কারণে যে সুযোগগুলি হাতছাড়া হয়েছে, আগামী দিনে শক্তিশালী প্রশাসনিক সদিচ্ছার মাধ্যমে তা পূরণ করে পশ্চিমবঙ্গকে একটি বাসযোগ্য ও আধুনিক রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *