পিএফ অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমার অপেক্ষায় গ্রাহকরা, জানুন কবে মিলবে সুখবর!

ইমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (EPFO) কোটি কোটি সদস্য বর্তমানে তাঁদের পিএফ অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমা হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য পিএফ-এর সুদের হার ৮.২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলেও, তা এখনও গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছায়নি। গত মার্চ মাসে ইপিএফও-র সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ (সিবিটি) এই সুদের হার সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের পর ইতিমধ্যেই দু’মাস কেটে গিয়েছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত টাকা অ্যাকাউন্টে না ঢোকায় স্বাভাবিকভাবেই গ্রাহকদের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
টাকা জমার সম্ভাব্য সময় ও বিলম্বের কারণ
মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন এবং সরকারি বিজ্ঞপ্তির পরেই সুদের টাকা ইপিএফও সদস্যদের অ্যাকাউন্টে জমা করার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই দাপ্তরিক ও সরকারি প্রক্রিয়ায় কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয় বলেই ইপিএফও-র তরফে আগে থেকে নির্দিষ্ট কোনও তারিখ ঘোষণা করা হয় না। তবে অতীতের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এই টাকা অ্যাকাউন্টে জমা হতে শুরু করে। গত বছরও অনেক গ্রাহক জুন ও জুলাই মাস নাগাদ তাঁদের অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা পেয়েছিলেন। ফলে আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই এই বছরের টাকা জমার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বিলম্বের কারণে কি সুদের আর্থিক ক্ষতি হবে?
পাসবুকে সুদের টাকা আপডেটে দেরি হলেও গ্রাহকদের চিন্তার বা আর্থিক ক্ষতির কোনও কারণ নেই। ১৯৫২ সালের ইপিএফ স্কিমের ৬০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, পিএফ অ্যাকাউন্টের সুদ মাসিক চলমান ব্যালেন্সের উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয় এবং তা বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি হারে যুক্ত হয়। ফলে টাকা অ্যাকাউন্টে প্রতিফলিত হতে যতই দেরি হোক না কেন, গ্রাহকরা তাঁদের প্রাপ্য সম্পূর্ণ সুদই পেয়ে থাকেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কারিগরি কারণে সব গ্রাহকের পাসবুকে একসঙ্গে সুদের তথ্য আপডেট হয় না। তাই উমঙ্গ অ্যাপ, ইপিএফও ই-সেবা পোর্টাল, মিসড কল বা এসএমএস পরিষেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের নিয়মিত নিজেদের অ্যাকাউন্টের স্ট্যাটাস চেক করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।