আমার পাশের সিটে কেউ বসলে সমস্যা, চার্টার্ড ফ্লাইট বিতর্কে সাফ জবাব অভিষেকের!

আমার পাশের সিটে কেউ বসলে সমস্যা, চার্টার্ড ফ্লাইট বিতর্কে সাফ জবাব অভিষেকের!

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী সাংসদদের চলমান সংঘাতের মাঝেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁর এই সফর নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি খোদ তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষও দলের টাকায় এই ধরনের সফরকে প্রকাশ্যেই সমর্থন করেন না বলে জানান। এবার দিল্লিতে বসেই এই বিতর্কের কড়া জবাব দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

নিরাপত্তা ও আইনি পরামর্শের যুক্তি

চার্টার্ড বিমানে যাতায়াত নিয়ে সমালোচনার জবাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, সাধারণ বিমানের ইকোনমি ক্লাসে যাতায়াত করতে তাঁর কোনো অসুবিধা নেই, তবে সমালোচকদের তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। তাঁর যুক্তি, সাধারণ বিমানে পাশের সিটে অন্য যাত্রী বসলে অনেক সময়ই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং তিনি মূলত আইনি পরামর্শ মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, কুণাল ঘোষের বিরূপ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কোনো পাল্টা আক্রমণ না করে অভিষেক তাঁকে নিজের ‘সহমর্মী’ বলে উল্লেখ করেছেন।

বিদ্রোহীদের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি

অভিষেকের এই দিল্লি সফরের মূল কারণ ছিল লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের সদস্যপদ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানানো। সংবিধানে আলাদা ব্লকের কোনো স্বীকৃতি নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বিদ্রোহী সাংসদদের সাংসদপদ ছেড়ে যেকোনো দলের প্রতীকে নতুন করে ভোটে জিতে আসার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। দলের বর্তমান রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে অভিষেকের এই কড়া অবস্থান এবং তাঁকে ঘিরে তৈরি হওয়া চার্টার্ড বিমান বিতর্ক তৃণমূলের অন্দরের ভবিষ্যৎ সমীকরণকে রাজনৈতিকভাবে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *