কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর মেগা সফর ঘিরে কড়া ট্রাফিক কড়াকড়ি, কোন কোন রাস্তায় এড়াবেন ভোগান্তি

কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর মেগা সফর ঘিরে কড়া ট্রাফিক কড়াকড়ি, কোন কোন রাস্তায় এড়াবেন ভোগান্তি

দুই দিনের সফরে আজ, শনিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের জোড়া কর্মসূচিতে অংশ নিতে তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে তিলোত্তমায় নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াত এবং নিরাপত্তার স্বার্থে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বিকেল থেকেই মহানগরের একাংশে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

শনিবার বিকেল থেকেই চাকা ঘুরবে বিকল্প পথে

লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে থেকেই মহানগরে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়ে যাবে। বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শহরের বেশ কিছু প্রধান রাস্তায় ভারী ও মালবাহী গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে জরুরি পরিষেবা যেমন— এলপিজি সিলিন্ডার, সিএনজি, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, অক্সিজেন, শাকসবজি, মাছ, ফল, দুধ এবং ওষুধবাহী গাড়িকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

তারকেশ্বরের কর্মসূচি শেষ করে আজ রাতে কলকাতায় এসে রাজভবনে (লোকভবন) রাত্রিবাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই কারণে নিরাপত্তা জোরদার করতে ১১ ফারলং গেট, কেপি রোড, জে অ্যান্ড এন আইল্যান্ড, ডাফরিন রোড, মেয়ো রোড, নেতাজি মূর্তি এবং আরআর অ্যাভিনিউ হয়ে রাজভবনের দক্ষিণ গেটের দিকে অন্যান্য মালবাহী গাড়িগুলিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

রবিবার দুপুর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যে সব রুট

আজ শনিবার রাত ১২টা থেকে শুরু করে আগামী কাল, রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই ট্রাফিক বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়বে। বিশেষ করে আজ বিকেল পাঁচটা থেকে রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গভর্নমেন্ট প্লেস ইস্ট ও এসপ্ল্যানেড রো ইস্ট ক্রসিং থেকে শুরু করে পুরনো কোর্ট হাউস স্ট্রিট এবং বিবাদী বাগ দক্ষিণ ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তা উভয় দিকেই সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ওই সব রাস্তায় সাধারণ কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।

শহরের এই ভিভিআইপি সফরের কারণে সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট বা ধর্মতলা ও বিবাদী বাগ সংলগ্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পার্কিংয়ের ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে। রবিবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল কর্মসূচি থাকায় পরিস্থিতি অনুযায়ী সাধারণ যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও পুলিশ তাৎক্ষণিক অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে। ফলে রবিবাসরীয় সকালে যারা জরুরি প্রয়োজনে রাস্তায় বেরোবেন, তাঁদের ট্রাফিক আপডেট দেখে এবং হাতে বাড়তি সময় নিয়ে বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *