শিলিগুড়িতে রেল কোয়ার্টারে পচাগলা ঝুলন্ত দেহ, চারদিন পর উদ্ধার ঘিরে রহস্য!

শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি সংলগ্ন সেন্ট্রাল কলোনির ১০ নম্বর রোডের একটি রেল কোয়ার্টার্স থেকে উদ্ধার হলো এক রেলকর্মীর পচাগলা ঝুলন্ত দেহ। শুক্রবার এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত কর্মীর নাম অরিন্দম রায় বর্মন (৪৬)। তাঁর বাড়ি কোচবিহারে হলেও, কর্মসূত্রে তিনি ওই কোয়ার্টারে একাই থাকতেন।
কীভাবে এল দেহ উদ্ধার?
সূত্রের খবর, গত চারদিন ধরে অফিসে হাজিরা দেননি অরিন্দমবাবু। দীর্ঘ সময় ধরে সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় অফিসের কর্মীরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেও কোনো সদুত্তর না মেলায়, অরিন্দমবাবুর ভাই কোচবিহার থেকে ছুটে আসেন শিলিগুড়িতে।
শুক্রবার কোয়ার্টারে পৌঁছে তিনি দেখেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। ঘরের ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিল। দ্রুত তিনি স্থানীয় রেলকর্মী ও এনজেপি (NJP) থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ওই রেলকর্মীর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। দেহটি এতটাই পচে গিয়েছিল যে পুলিশ প্রাথমিক অনুমান করছে, মৃত্যুর বেশ কয়েকদিন পেরিয়ে গেছে।
তদন্তে পুলিশ:
ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এনজেপি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অরিন্দমবাবু কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে— তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে সহকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।