গোপন ভোজের পর্দা ফাঁস, জঙ্গলের চেনা সমীকরণ বদলে দিচ্ছেন বাঙালি বিজ্ঞানী

গোপন ভোজের পর্দা ফাঁস, জঙ্গলের চেনা সমীকরণ বদলে দিচ্ছেন বাঙালি বিজ্ঞানী

বাড়ির শিশুর জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অদ্ভুত অভ্যাসের নেপথ্যে যেমন থাকে বন্ধুদের টিফিন ভাগ করে খাওয়ার রহস্য, তেমনই এক চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে বন্যপ্রাণের ক্ষেত্রেও। বনের লেপার্ড বা চিতা ঠিক কী পরিমাণ গোরু-মোষ সাবাড় করছে, তার সঠিক হিসেব এতদিন আড়ালেই থেকে গিয়েছিল। এবার সেই জটিল রহস্যের জট খুলেছেন একজন বাঙালি বিজ্ঞানী। তার এই যুগান্তকারী গবেষণা জঙ্গলের চেনা ধারণাকে সম্পূর্ণ ওলটপালট করে দিচ্ছে।

সাধারণত কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের বন্যপ্রাণের সংখ্যা ও তাদের খাদ্য জোগানের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে ‘ক্যারিং ক্যাপাসিটি’ বা ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শিকারী প্রাণীদের এই গোপন খাদ্যাভ্যাস এতদিন বিজ্ঞানীদের হিসেবের বাইরেই রয়ে গিয়েছিল। বাঙালি বিজ্ঞানীর এই নতুন অনুসন্ধান শিকারী ও শিকারের সেই প্রচলিত সমীকরণ এবং জঙ্গলের ধারণক্ষমতার সংজ্ঞাটিকেই পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই গবেষণা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও তাদের খাদ্য শৃঙ্খল বোঝার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *