‘আমাদের কি পাহারা দিতে হবে?’ একুশের মঞ্চ ভাঙচুর নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

‘আমাদের কি পাহারা দিতে হবে?’ একুশের মঞ্চ ভাঙচুর নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি পর্বে বড়সড় অশান্তির অভিযোগ! সোমবার গভীর রাতে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভামঞ্চে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে কড়া আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

খবরের মূল হাইলাইটস:

  • বাইক বাহিনীর তাণ্ডব: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাত সাড়ে দশটা নাগাদ ৬০-৬৫ জনের একটি বাইক বাহিনী আচমকাই সভাস্থলে হামলা চালায়। মাইক ও বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়ার পাশাপাশি উপস্থিত ছাত্র-যুবদের ওপরও হামলা করা হয়।
  • নিশানায় বিজেপি: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর (শুভেন্দু অধিকারী) ঘনিষ্ঠ এক ‘ক্রিমিনালের’ নেতৃত্বেই এই হুলিগান বাহিনী তাণ্ডব চালিয়েছে।
  • আদালত অবমাননার হুঁশিয়ারি: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ কেন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তা নিয়ে তীব্র উষ্মা প্রকাশ করেন মমতা। শহিদ পরিবারের সদস্যদেরও বাড়ি থেকে বেরোতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

প্রেক্ষাপট:

চলতি বছরে একুশে জুলাইয়ের সভা ঘিরে প্রথম থেকেই জোড়া চ্যালেঞ্জের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক প্রথম সারির নেতার দলত্যাগ এবং সভাস্থল নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে সভার অনুমতি মেলে। সোমবার সন্ধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সভাস্থল পরিদর্শনেও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাত বাড়তেই ভাঙচুরের খবর পেয়ে দোলা সেন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ফের ঘটনাস্থলে ছুটে যান মমতা। প্রশাসন বা পুলিশের তরফে এখনও এই অভিযোগ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *