১ কোটি ক্ষতিপূরণ ও পদত্যাগ! সরকারের সব আলোচনা খারিজ করে অনড় CJP

NEET পেপার ফাঁস কাণ্ড নিয়ে দিল্লির রাজনীতি ও রাজপথের আন্দোলন ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। একদিকে সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলেও, আন্দোলনকারী সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা CJP সরকারের সমস্ত আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। সংগঠনের স্পষ্ট বার্তা—তাদের ৩টি মূল দাবি না মানলে আন্দোলন থামবে না।
CJP-র ৩টি কঠোর শর্ত
গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের রূপ নেওয়া দিল্লির ঘটনার পর থেকে CJP নেতৃত্ব মূলত এই তিনটি শর্তের ওপর অনড় রয়েছে:
- প্রথমত: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। সংগঠনের মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কোনও আপস হবে না।
- দ্বিতীয়ত: NEET পেপার ফাঁসের জেরে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
- তৃতীয়ত: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মিথ্যা FIR অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য মামলা না করার গ্যারান্টি দিতে হবে।
অহিংস পথেই আন্দোলন চলবে
সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকেও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তাঁদের আন্দোলন সম্পূর্ণ অহিংস পথেই পরিচালিত হবে। তবে আন্দোলনে যাতে কোনও দুষ্কৃতী ঢুকে বিশৃঙ্খলা পাকাতে না পারে, সে বিষয়েও তাঁরা সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
মোদীর কড়া বার্তা ও ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তরুণ সমাজের ভবিষ্যৎ নষ্টকারীদের রেয়াত করা হবে না। পেপার ফাঁসের মতো অপরাধে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ‘ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সরকারের এই বার্তার পরেও CJP তাদের শর্তে অনড় থাকায় কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।