‘নেপাল-পাকিস্তানের গল্প বলে দেশকে ভাঙতে চায়!’ কলকাতার ছাত্র আন্দোলনের নেপথ্যে নাশকতার তত্ত্ব দিলীপ ঘোষের

‘নেপাল-পাকিস্তানের গল্প বলে দেশকে ভাঙতে চায়!’ কলকাতার ছাত্র আন্দোলনের নেপথ্যে নাশকতার তত্ত্ব দিলীপ ঘোষের

NEET-UG প্রশ্নফাঁস কাণ্ড এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে কলকাতার ধর্মতলায় বাম ছাত্র সংগঠনের মিছিল ঘিরে হওয়া হিংসার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আন্দোলনের নামে সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বোতল ছোড়ার তীব্র নিন্দা করে এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে সরাসরি ‘অতি বাম যোগ’ ও দেশবিরোধী শক্তির হাত রয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে দিলীপ ঘোষ সাফ জানান, নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই দেশের উগ্রপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।

এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন—

“আপনারা জেনে রাখুন এরা কারা, যারা নেপালের গল্প বলছে, পাকিস্তানের গল্প বলছে, কাশ্মীরের কথা বলছে! এই যে ভারতকে ভাগ করার এবং ভারতের বিরোধিতা করার একটা নির্দিষ্ট চেইন বা চক্র রয়েছে, তারা মাঝেমাঝেই এই ধরনের ইস্যুকে সামনে রেখে উৎপাত চালায়। এরা মিডিয়াতে বেঁচে থাকে, কিন্তু সমাজে এদের কোনো প্রকৃত প্রভাব নেই।”

যাদবপুর প্রসঙ্গ টেনে কড়া আক্রমণ: ছাত্র আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টির মানসিকতাকে বিঁধে দিলীপ ঘোষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, রাজ্যে যাদবপুরের মতো কিছু নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে যেখান থেকে অতীতেও ভারত-বিরোধী স্লোগান ও ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর মতো ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে রাজনীতিতে এদের কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করেন তিনি। মিছিলে যেভাবে সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা করে তিনি জানান যে সাধারণ মানুষ কখনোই এই ধরনের হিংসাত্মক কার্যকলাপকে সমর্থন করবে না।

‘সব ধীরে ধীরে এক্সপোজ হবে’ উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, শুক্রবারের ওই বাম বিক্ষোভ ঘিরে ডোরিনা ক্রসিং চত্বরে ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও পুলিশের লাঠিচার্জের জেরে রণক্ষেত্রের রূপ নেওয়া ঘটনার নেপথ্যে কাদের হাত রয়েছে, তা সময়মতো সবার সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *