আমেরিকায় ছেলের বড় খরচ থেকে কোটি টাকার আইনি ফান্ড, সিজেপি সভাপতি অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে জোড়া তদন্তের দাবি!

ককোরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ও তাঁর পরিবারের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বড়সড় তদন্তের দাবি উঠল। সুরাতের তথ্য অধিকার (RTI) কর্মী অমিত তিওয়ারি নির্বাচন কমিশন এবং কর কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়ে দীপক পরিবারের উপার্জনের উৎস ও তাঁর দলের আইনি বৈধতা নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলেছেন।
১. বস্টনে পড়ার বিপুল খরচ এলো কোথা থেকে?
অভিজিৎ দীপক মহারাষ্ট্র ও পুনেতে পড়াশোনা শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। অমিত তিওয়ারির অভিযোগ, অভিজিতের বাবা ভগবানরাও দীপক মহারাষ্ট্র সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। একজন প্রাক্তন সরকারি কর্মীর পক্ষে কীভাবে আমেরিকায় ছেলের এই বিপুল খরচে উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করা সম্ভব হলো, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।
২. সিজেপি কি আদেও স্বীকৃত রাজনৈতিক দল?
ককোরোচ জনতা পার্টির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিওয়ারি। তাঁর দাবি:
- CJP এখনও নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত নিবন্ধিত দল নয় (জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারা অনুযায়ী)।
- কোনো অনিবন্ধিত দল কীভাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করছে এবং ফান্ডের নামে অর্থ সংগ্রহ করছে, তার তদন্ত হওয়া উচিত।
৩. ১ কোটি টাকার লিগ্যাল ফান্ড ও জিএসটি বিতর্ক
NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া কর্মীদের আইনি লড়াইয়ের জন্য প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল ১ কোটি টাকার সহায়তার কথা ঘোষণা করেছিলেন। এই ফান্ড সিজেপি গঠন করেছে বলে জানানো হয়। তিওয়ারির প্রশ্ন, যদি এটি অনিবন্ধিত সংগঠন হয়, তবে ১ কোটি টাকার ফান্ডের ক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকারের জিএসটি (GST) প্রযোজ্য হবে কি না—তা কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ডের (CBIC) খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।