তৃণমূলে কি তবে মহাধস? কালীঘাটে নতুন কম্পন জাগিয়ে ‘বিস্ফোরক’ কাকলি!

নতুন দিল্লি: রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন কি তবে আরও চওড়া হতে চলেছে? কালীঘাটের অন্দরে সেই জল্পনা উসকে দিয়ে এবার সরাসরি বিস্ফোরক দাবি করলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, শাসক শিবিরের আরও অন্তত দু’জন সাংসদ বর্তমানে তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ২০ জন দলত্যাগী সাংসদ ‘এনসিপিআই’ (NCPI)-তে যোগ দিয়ে লোকসভায় পৃথক আসন লাভ করেছেন। যদিও স্পিকারের কাছ থেকে এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র মিলতে এখনও বাকি, তার মধ্যেই কাকলির এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
দল ছাড়ার কারণ ও বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে কাকলি দেবী বলেন, “যে দলের টিকিটে আমরা নির্বাচিত হয়েছিলাম, তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে গেছে। একাধিক অনৈতিক বিষয় প্রতিনিয়ত সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে বিভ্রান্ত হয়ে অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।” এর পর স্পষ্ট সুর চড়িয়ে তিনি যোগ করেন, “এটা একেবারেই সত্যি যে বর্তমানে আরও দু’জন সাংসদ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।”
তবে ওই দুই সাংসদের পরিচয় নিয়ে এখনই জলঘোলা করতে চাননি তিনি। তারা পুরুষ না মহিলা, কিংবা কোনো অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করেন—সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেন বারাসাতের সাংসদ। সংসংক্ষেপে তাঁর বার্তা, “সময় এলেই সব নাম প্রকাশ্যে আনা হবে।”
তৃণমূল ছেড়ে ২০ জনের বেরিয়ে যাওয়ার ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এই দাবি যে কালীঘাট শিবিরের অস্বস্তি ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ অনেকটাই বাড়িয়ে দিল, তা নিশ্চিত।