‘জামা নয়, মন পাল্টান!’ তৃণমূলে সিঁধ কাটার চেষ্টায় জল ঢেলে কড়া বার্তা শমীকের

‘জামা নয়, মন পাল্টান!’ তৃণমূলে সিঁধ কাটার চেষ্টায় জল ঢেলে কড়া বার্তা শমীকের

বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই একশ্রেণীর তৃণমূল কর্মী-নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ। কেউ কেউ আবার রাতারাতি নিজেদের বিজেপির কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়াও শুরু করেছেন। এই ধরণের ‘রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানী’দের রুখতে এবার অত্যন্ত কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। চাঁচাছোলা ভাষায় তাঁর মন্তব্য, “মানুষ জামা পাল্টানোর জন্য ভোট দেয়নি, জামার ভিতরের মানুষটাকে বদলানোর জন্য ভোট দিয়েছে।”

সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন—এমনকি গণনাকেন্দ্রে বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছেন—ফল প্রকাশের পর তাঁদেরই হাতে গেরুয়া পতাকা দেখা যাচ্ছে! স্থানীয় মানুষের ওপর অত্যাচার চালিয়ে এখন নিজেদের বাঁচাতে অনেকেই বিজেপির ছাতার তলায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে নিশানা করে বিজেপি সভাপতি বলেন:

  • গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব: তৃণমূলে যে ৭৫-২৫ এর ভাগাভাগি ছিল, তা এখন ৯৫ বনাম ৫-এ এসে ঠেকেছে। এই বঞ্চিত ৫ শতাংশ দলছুট হয়ে বিজেপির নাম ভাঙিয়ে ৯৫ শতাংশকে আক্রমণ করছে।
  • দরজা চিরতরে বন্ধ: এই সুযোগ সন্ধানীদের জন্য বিজেপির দরজা এখন বন্ধ এবং ভবিষ্যতেও বন্ধ থাকবে।
  • টিকিট দেওয়ার লোভ নয়: হঠাৎ করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েই পঞ্চায়েত বা পুরসভায় টিকিট পাওয়ার আশা করা বৃথা।

“ফুলপ্রুফ বা শতভাগ নিখুঁত ব্যবস্থা বলে কিছু হয় না। তবে নিচুতলার কিছু নেতা হয়তো আবেগবশত বা ভুল করে প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের দলে নিচ্ছেন। এই ধরনের বিচ্যুতি রুখতে আমরা নজর রাখছি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *