স্কুল চলাকালীন জনগণনার কাজ নয়, নির্দেশ অমান্য করলেই ৩ বছরের জেল!

কলকাতা: রাজ্যে ২০২৭ সালের জনগণনার (Census) প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হয়েছে। এই জাতীয় গুরুত্বপূরণ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীদের উপর। তবে ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠন যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে এবার একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর।
নতুন নির্দেশিকা ও সময়সীমা: শিক্ষা দপ্তরের স্পষ্ট বার্তা, বিদ্যালয়ের নিয়মিত ক্লাস এবং পঠনপাঠন চলাকালীন শিক্ষকরা জনগণনার কোনো কাজ করতে পারবেন না। স্কুলের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরেই তাঁদের এই কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে ছুটির দিন কিংবা সপ্তাহান্তেও (Weekend) সেন্সাসের কাজে যোগ দিতে হবে শিক্ষকদের। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জনগণনা সম্পন্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে চলা এই জনগণনার প্রথম ধাপে নাগরিকরা অনলাইনে নিজেদের তথ্য জমা দিচ্ছেন। দ্বিতীয় ধাপে শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করবেন।
আইন অমান্য করলে শাস্তির খাঁড়া: শিক্ষা দপ্তর আগেই জানিয়েছিল, শিক্ষক ও কর্মীদের জন্য এই কাজে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। নতুন নির্দেশিকায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, কেউ এই দায়িত্ব এড়িয়ে গেলে বা অমান্য করলে ‘সেন্সাস অ্যাক্ট, ১৯৪৮’ অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
প্রশাসনের আশা, এই স্পষ্ট নিয়মের ফলে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ জনগণনা—উভয় ক্ষেত্রেই সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকবে।