স্বাস্থ্যভবনে ধুলো জমছে ২০১৬-র চিঠিতেও! হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, কড়া নির্দেশ

স্বাস্থ্য ভবনের রিসিভিং সেকশনে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চরম অব্যবস্থার মুখোমুখি হলেন রাজ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। গ্রাউন্ড ফ্লোরের রিসিভিং ও ডেসপ্যাচিং সেকশনে গিয়ে তিনি দেখেন, সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সরকারি দফতর থেকে আসা হাজার হাজার চিঠি ও আবেদনপত্র বহু বছর ধরে না খুলেই টেবিলের পাশে ও ঘরের কোণে ধুলো খাচ্ছে।
চিঠির গোছা খতিয়ে দেখতে গিয়ে মন্ত্রী দেখেন, তার মধ্যে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথিও রয়েছে। এমনকি ২০১৮ সালে বহরমপুরের সিএমওএইচ-এর (CMOH) পাঠানো চিঠির পাশাপাশি ২০১৬ সালের পুরনো সরকারি চিঠিও সেখানে না খোলা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই নজিরবিহীন গাফিলতি দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি এবং দায়ীদের জবাবদিহির নির্দেশ দেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন—
- অবিলম্বে ব্যবস্থা: পড়ে থাকা সমস্ত চিঠি খুলে দ্রুত সেগুলির উত্তর দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
- প্রাপ্তি স্বীকার: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে এখন থেকে আসা প্রতিটি চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার (acknowledgement) পাঠাতে হবে।
- কর্মীবৃদ্ধি: কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনে অবিলম্বে নতুন কর্মী নিয়োগ করতে হবে।
মন্ত্রীর এই কড়া বার্তার পর থেকেই স্বাস্থ্য ভবনের রিসিভিং সেকশনে জমে থাকা বস্তাবন্দি চিঠি বাছাই ও নিষ্পত্তির কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে।