‘জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেম জাগাতেই তিরঙ্গা যাত্রা,’ হাজরার সভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও এতদিন রাজ্যে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বড় পরিসরে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়নি। রাজ্যের শাসনক্ষমতায় পরিবর্তন আসতেই সেই চিত্রে বদল দেখা গেল। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্ন থেকে ঘোষণা করেছিলেন, আজ (৭ আগস্ট) থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হবে এই বিশেষ কর্মসূচি।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, আজ শুক্রবার দুপুরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেই এই ‘তিরঙ্গা যাত্রা’র শুভ সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভবানীপুরের সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য মিছিলের আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে এই যাত্রায় পা মিলিয়েছিলেন রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য তাপস রায় ও দীপক বর্মন সহ একাধিক প্রতিনিধি।
মিছিলকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণ ছিল নজরকাড়া। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে পা মেলান হাজার হাজার মানুষ। পুরো মিছিলের মূল আকর্ষণ ছিল মাঝখানে থাকা একটি সুবিশাল জাতীয় পতাকা।
মিছিল শেষে হাজরা মোড়ে একটি জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন:
“সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিলের মাধ্যমে আজ আমরা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির সূচনা করলাম। মিছিলে আমজনতার এই অভূতপূর্ব সাড়া দেখে আমি আপ্লুত। সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আগামী ১০ আগস্ট নেতাজি মূর্তি থেকে আমরা পুনরায় একটি ঐতিহাসিক তিরঙ্গা যাত্রা করব, যেখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেবেন। মিছিলটি বিড়লা তারামণ্ডলের ৭ নম্বর গেট পর্যন্ত যাবে। সবাইকে সেখানে উপস্থিত থাকার আমন্তন জানাচ্ছি।”
তিনি আরও যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেছেন— ‘দিল সে তিরঙ্গা, প্যায়ার সে তিরঙ্গা, হর ঘর তিরঙ্গা’। এই যাত্রার মূল উদ্দেশ্যই হলো মানুষের মনে জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করা। বাংলায় এবার জাতীয়তাবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাজ্যবাসীকে আগাম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।”