“দিল্লি পুলিশ ভাবছেন নাকি?” নিরাপত্তা দেওয়া এসআই-কে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিলেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে!

“দিল্লি পুলিশ ভাবছেন নাকি?” নিরাপত্তা দেওয়া এসআই-কে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিলেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে!

নিজের বাসভবনে নিযুক্ত পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টরের (এসআই) ওপর চরম ক্ষোভ উগরে দিলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। অভিযোগ, ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সাক্ষাৎ করতে দিচ্ছেন না এবং দর্শনার্থীদের সঙ্গে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করছেন। ঘটনার জেরে ওই পুলিশকর্মীকে অবিলম্বে তাঁর নিরাপত্তা বলয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন সিজেপি প্রধান।

বাড়ির নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং উপচে পড়া ভিড় সামলাতেই অভিজিৎ দিপকেকে পুলিশি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর দাবি, এই সুরক্ষাই এখন তাঁর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, দিপকে ফোনে এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তার কাছে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট এসআই-কে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অডিও-ভিডিওতে সিজেপি নেতাকে বলতে শোনা যায়:

“আমি যাদের ভেতরে আসতে বলছি, আপনারা তাদের আসতে দিচ্ছেন না কেন? দিল্লি পুলিশের মতো আচরণ বন্ধ করুন! কার সাথে দেখা করব আর কার সাথে করব না, সেটা কি পুলিশ ঠিক করে দেবে? আপনার মতো অফিসারকে আমার দরকার নেই, এখনই আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।”

সিআইডি নজরদারি ও রহস্যময় ‘হিট স্প্রে’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ

ঘটনাটিকে আরও জটপাকিয়ে তুলেছে দিপকের বিস্ফোরক কিছু দাবি। তিনি জানান, জনৈক সাংবাদিক তাঁর বাড়ির চারপাশে সাদা পোশাকের কিছু সন্দেহভাজন মানুষকে দেখতে পান। পুলিশ তাঁদের সরাতে গেলে তাঁরা নিজেদের সিআইডি (CID) কর্মী বলে পরিচয় দেন।

এখানেই শেষ নয়, সিজেপি নেতার দাবি অনুযায়ী, ওই সিআইডি কর্মীদের মধ্যে একজনের ফোনে ‘হিট স্প্রে’ (Hit Spray) নামে একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা ছিল। সেই গ্রুপের মাধ্যমে তাঁর বাড়ির সমস্ত দৈনন্দিন আপডেট ওপর মহলে পাঠানো হচ্ছিল।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল ও সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হলেও নীরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন। গোটা বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ডিসিপি পঙ্কজ অতুলকর সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হননি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *