জানলে চমকে যাবেন! বর্ষার মরসুমে কেন হঠাৎ হু হু করে বাড়ছে চিকুনগুনিয়ার সংক্রমণ?

বর্ষার আগমন মানেই ডেঙ্গি ও চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের বাড়বাড়ন্ত। মূলত এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস মশার কামড়ে ছড়ানো এই ভাইরাসের সংক্রমণ বর্তমানে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফুলের টব, বালতি, বাতিল টায়ার বা জলের ট্যাঙ্কের মতো জায়গায় জমে থাকা পরিষ্কার জলে এই মশা ডিম পেড়ে বংশবৃদ্ধি করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মশা কামড়ানোর সাধারণত চার থেকে আট দিনের মধ্যে এর উপসর্গ প্রকাশ পায়। অতীতে বিভিন্ন রাজ্যে এই রোগের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।
রোগের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড জ্বর, গাঁটে ব্যথা, ফোলা ভাব, তীব্র মাথা ব্যথা ও ক্লান্তি। চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ সরাসরি একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়ায় না, কেবল সংক্রমিত মশার কামড়েই ছড়ায়। এখনও পর্যন্ত চিকুনগুনিয়ার কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ না থাকায় মূলত উপসর্গ কমানোর মাধ্যমেই চিকিৎসা করা হয়। এ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। ঘরোয়া উপায়ে মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে বাড়ির আশপাশে জল জমতে না দেওয়া, জানালায় নেট লাগানো এবং দিনের বেলাতেও ফুলহাতা পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।